RG Kar Case: RG Kar মামলায় তীব্র ভর্ৎসনার মুখে CBI, "কলিগকে বাঁচাবার জন্যই কি..", প্রশ্ন অভয়ার পরিবারের আইনজীবীর, কী বললেন বিচারপতি ?
RG Kar Case : আর জি কর-মামলায় বিচারপতি শম্পা সরকার, বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের ডিভিশন বেঞ্চের কড়া সমালোচনার মুখে CBI,

কলকাতা: আর জি করকাণ্ডে রিপোর্ট জমা সিবিআইয়ের। ২১ মে সিবিআইকে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। সেই নির্দেশ অনুযায়ী রিপোর্ট জমা সিবিআইয়ের। আদালতের নির্দেশে ৩ সদস্যের সিট গঠন, আদালতে জানাল সিবিআই। 'সিবিআই তদন্তে হস্তান্তরে দেরি, তথ্য প্রমাণ বিনষ্ট করার জন্য কারা দায়ী ?', এটাও তো একটা অপরাধ, মন্তব্য বিচারপতি শম্পা সরকারের। চার্জশিট দাখিল করার পর ১ বছর ৭ মাস কেটে গিয়েছে, মন্তব্য বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের। এহেন আবহে, সাংবাদিক বৈঠকে মুখ খুললেন অভয়ার পরিবারের আইনজীবী জয়ন্তনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়।
আর জি কর-মামলায় বৃহস্পতিবার বিচারপতি শম্পা সরকার, বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের ডিভিশন বেঞ্চের কড়া সমালোচনার মুখে পড়ল CBI। এদিন আইনজীবী জয়ন্তনারায়ণ চট্টোপাধ্যায় বলেন, নির্যাতিতার মা-বাবা, বারবার সিবিআইয়ের শরণাপন্ন হয়েছেন এবং লাস্ট অর্ডারে মহামান্য বিচারপতিরা বলে দিয়েছিলেন, সিবিআই নির্যাতিতার মা-বাবার সঙ্গে কথা বলবেন এবং তাঁদের যে বক্তব্য শুনবেন। সেই অনুযায়ী তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাবে। কিছু করেনি। প্রায় ১ ঘন্টা ধরে মহামান্য বিচারপতিদের কাছে, তীব্র ভর্ৎসনার শিকার হয়েছেন সিবিআই। এবং মহামান্য বিচারপতিরা ভরা এজেলাসে এটাও বললেন, আমরা তাহলে কী করব ? সিবিআই যদি তদন্ত করতে না চায়, আমাদের কী করা উচিত, সিবিআই বলে দিক। আগে যে তদন্তকারী অফিসার ছিলেন, সেই কলিগকে বাঁচাবার জন্যই কি , সিবিইআই-র বর্তমান সিট যাদের নিয়ে তৈরি, তাঁরা, সেই কলিগেরই দেখানো পদ্ধতিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। কী করলেন তাঁরা ? আজকে মহামান্য বিচারপতিরা শুধু নন, আমরা সকলেই একেবারে হতাশ, সিবিআইয়ের তদন্তে..।’
অন্যদিকে, ঘটনার রাতে খাওয়া-দাওয়া করা থেকে নিহত তরুণী চিকিৎসকের শেষকৃত্য পর্যন্ত কী কী হয়েছিল, ঘটনাক্রম কী ছিল? তা ফের খতিয়ে দেখতে, CBI-এর পূর্বাঞ্চলীয় যুগ্ম অধিকর্তার নেতৃত্বে SIT গঠন করে দিয়েছে হাইকোর্ট। তারপর আর জি কর মেডিক্যাল কলেজেও গেছেন তদন্তকারীরা। এই প্রেক্ষাপটে এদিন আদালতে রিপোর্ট জমা দেয় CBI। তারপর বিচারপতি শম্পা সরকার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কাছে জানতে চান, CBI-কে তদন্ত হস্তান্তরে দেরি, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করার জন্য কারা দায়ী?কারণ এটাও তো একটা অপরাধ। তিনি বলেন, পরিবারের কী অভিযোগ আছে? কেউ অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা করছে, সেটাও তো CBI-কে খুঁজে বের করতে হবে।
বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, চার্জশিট দাখিল করার পর ১ বছর ৭ মাস কেটে গেছে। উত্তরে CBI-এর আইনজীবী জানান, তারা একাধিকবার সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখেছেন। পরিবারের সব বক্তব্য শুনে উত্তর দেওয়া হয়েছে। তখন বিচারপতি শম্পা সরকার জানতে চান, CBI মায়ের বক্তব্য নিয়েছে, সেটা কোথায়? উত্তরে আইনজীবী জানান, নিহতের (অভয়া) মায়ের বক্তব্য লিখে রাখা হয়েছে।
Before You Go
Conch Shell GI Tag: GI ট্যাগ পেল বাঁকুড়ার শঙ্খ শিল্প, এবার কি বাঁচবে হারিয়ে যেতে বসা এই ঐতিহ্য?






















