Sabyasachi Dutta: 'যেদিন থেকে মেয়র, সেদিন থেকেই...', কী কী অত্যাচার করতেন সব্যসাচী ? জানালেন ওয়েলিয়া
TMC News : প্রায় ১ কোটি টাকারও উপরে তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক। আর গ্রেফতারের পর সাধারণ মানুষ ক্ষোভ উগরে দেন তাঁর উপর। পচা ডিম, গোবর ছুঁড়ে আক্রমণ করছেন সকলে।

কলকাতা : তোলাবাজি সহ একাধিক অভিযোগ। গ্রেফতার তৃণমূল নেতা ও বিধাননগর পুরসভার চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত (Sabyasachi Dutta Arrested)। রাজারহাটের বাড়ি থেকে তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। প্রায় ১ কোটি টাকারও উপরে তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক। আর গ্রেফতারের পর সাধারণ মানুষ ক্ষোভ উগরে দেন তাঁর উপর। পচা ডিম, গোবর ছুঁড়ে আক্রমণ করছেন সকলে। কিন্তু কেন এত রাগ সাধারণ মানুষের? মুখ খুললেন ওফেলিয়া সিন্হা।
গৃহদাহে জ্বলছে তৃণমূল! একদিকে যখন নেতাদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভের আগ্নেয়গিরি ফুটে উঠেছে, ঠিক তখন দুর্নীতি, তোলাবাজি, ভোট পরবর্তী হিংসা-সহ নানা অভিযোগে জেলায় জেলায় গ্রেফতার হচ্ছেন একের পর এক তৃণমূল নেতারা। এবার গ্রেফতার হলেন সব্যসাচী দত্ত। তাঁর এই গ্রেফতারি নিয়ে ওফেলিয়া সিন্হা বলেন ''বিধাননগরে উনার কোনও গ্রহণ যোগ্যতাই নেই। যবে থেকে উনি মেয়র, তবে থেকেই উনি তোলাবাজ। গরিব মানুষরা আজ বলবে না কেন? এই দত্তাবাদ অঞ্চলের মানুষরা যদি কেউ বিজেপি করে সে ভাড়া থাকতে পারবে না। সে দোকান দিতে পারবে না। আর যদিও বা কেউ দোকান দেয়, তবে প্রতিদিন তাদের টাকা রাখতে হবে। সপ্তাহ শেষে তাদের তোলাবাজ লোক আছে, তারা সেই টাকা তোলে। রিকশা চালক, অটো চালক ভাইদের থেকেও তোলা চাওয়া হত ইউনিয়ন-এর নামে। মানে কেউ যদি অসুস্থ থাকত, সেও রেখে দিচ্ছে প্রতিদিন ১০০ টাকা করে। ৭ দিন হয়ত কাজ নেই তার, কিন্তু সে টাকা রেখে দিত।''
ওফেলিয়া আরও অভিযোগ করে বলেন, ''এদের বিশাল মাথা আছে। সরকারি জমি BFCF-এর মাঠটা একবার দেখুন, সেখানে রমরমিয়ে ব্যবসা করেছেন সব্যসাচী ও তাঁর স্ত্রী। যোগ সেন্টার, ক্রিকেটের মাঠ। BFCF-এর ব্লকের ছোট বাচ্চারা মাঠ ব্যবহার করতে পারত না। রীতিমতো তালা দেওয়া।''
সব্যসাচীর বিরুদ্ধে অভিযোগকারী এক ব্যবসায়ী মধুসূধন চক্রবর্তী জানান, ''সব্যসাচী দত্ত আমাদের বিধাননগরের মেয়র ছিলেন ২০১৮ এবং নিউটাউনের বিধায়ক ছিলেন। সুপ্রিম পাওয়ার বিধাননগরের। আমি ওনাকে সেইভাবে চিনতামও না। আমি একদিন কোনও কারণে, ওনার একটা ফোন পেলাম। সেটা হচ্ছে ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। ফাস্ট ফোন সাড়ে দশটার সময়।.. আমি তার কথা শুনলাম। শোনার পরে বিদ্যুৎ গাঙ্গুলি বলে একটা লোককে বলল, ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা দেওয়ার জন্য। তার ত্রিপুরায় একটা কোনও নির্বাচনের কাজ আছে। আমি বললাম দাদা, আমি এটা পারব। আমি দিলাম। তারপর ৬ তারিখ ফোন এল সব্যসাচী দত্তের, আপনাকে ১ কোটি টাকা পেমেন্ট দিতে হবে। আপনি আপনার টাকাটার ব্যবস্থা করুন। আমি বললাম সোনা বেচে কোথা থেকে এত টাকা পাব ? আমি সাধারণ ব্যবসায়ী। উনি (সব্যসাচী দত্ত) আমাকে বললেন, কোনও কিছু জানি না। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও কিছু আপনাকে করতে পারবে না। ''
Before You Go
Chandrima Bhattacharya | কালীঘাট তৃণমূলের বড়সড় ভাঙন। ববির পর মমতার হাত ছাড়লেন চন্দ্রিমাও






















