Sand Scam: বালি পাচার মামলায় প্রথম চার্জশিট পেশ ED-র, কাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট ?
Sand Scam ED Chargesheet : বালি পাচার মামলায় প্রথম চার্জশিট পেশ করল ED

আবির দত্ত, সুকান্ত মুখোপাধ্যায়, অনির্বাণ বিশ্বাস, কলকাতা: বালি পাচার মামলায় প্রথম চার্জশিট পেশ করল ED। GD মাইনিং সহ ১৪টি সংস্থার বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। চার্জশিটে নাম রয়েছে GD মাইনিং সংস্থার প্রধান অরুণ শরাফ সহ ৪ জনের। ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে বালি পাচার মামলায় ফের তৎপরতা শুরু করল ED। এই মামলায় প্রথম চার্জশিট দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। GD মাইনিং সংস্থার প্রধান অরুণ শরাফকে গ্রেফতারের ৫৬ দিনের মাথায় প্রথম চার্জশিট পেশ করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
আরও পড়ুন, '..ত্রুটি কী ? তাঁরা পশ্চিমবঙ্গের', BJP শাসিত রাজ্যে বাঙালি শ্রমিক 'খুনে' আক্রমণ অভিষেকের
অরুণ শরাফ সহ ৪ জনের নামে চার্জশিট দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। চার্জশিটে নাম রয়েছে GD মাইনিং সহ ১৪টি সংস্থার। বালি পাচার মামলায় ১৪৫ কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ করেছে ED. এই ১৪টি সংস্থা মারফত বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। নগর দায়রা আদালতের ED-র স্পেশাল কোর্টে এদিন ৪ হাজার পাতার বেশি চার্জশিট জমা করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
ED-র আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী বলেন, চার্জশিট নিয়ে যা বলছে ছোট অংশ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা আর্থিক তছরুপের অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেছে ED, এই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, বালি পাচার মামলায় প্রথম রাজ্য পুলিশ FIR করে। তাই এর কৃতিত্ব রাজ্য পুলিশের।নন্দীগ্রামে বালি খাদানে পড়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয় সেক্ষেত্রে চুপ ছিল ED, বিরোধী দলনেতা বলেই চুপ ছিল ED?
গত বছর ১৬ অক্টোবর বালি পাচারের তদন্তে একযোগে রাজ্যের ৩ জেলার ৭ জায়গায় অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ভুয়ো চালান তৈরি করে বালি পাচার, রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কোটি কোটি টাকার কারবার চালানো, আর্থিক তছরুপের অভিযোগে নভেম্বর মাসে GD মাইনিং সংস্থার প্রধান অরুণ শরাফকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ৬ নভেম্বর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিজিও কমপ্লেক্সে ডাকা হয় তাঁকে, পরে সেখানেই গ্রেফতার করা হয়।
অভিযুক্তর বিরুদ্ধে ৭৮ কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। আদালতে ইডির আইনজীবী জানান, ই-চালান জাল করে কারবার চালানো হচ্ছিল। বালি বিক্রি করে যে টাকা এসেছে, সেই টাকার হিসেবও সংস্থার তরফে কারচুপি করা হয়েছে। রাজ্য় পুলিশের করা FIR-এর ভিত্তিতে ECIR দায়ের করে তদন্ত চালাচ্ছে ED।






















