এক্সপ্লোর
Second Hooghly Bridge Closed : সপ্তাহান্তে বন্ধ থাকবে দ্বিতীয় হুগলি সেতু
শনিবার মধ্যরাত থেকে পরের দিন সকাল ৬টা এবং রবিবার রাত ১১টা থেকে সোমবার ভোর ৫টা পর্যন্ত এই সেতুতে সব রকমের যান চলাচল বন্ধ থাকবে।

Second Hooghly Bridge Closed : সপ্তাহান্তে বন্ধ থাকবে দ্বিতীয় হুগলি সেতু
ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী, কলকাতা : রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতির জন্য সপ্তাহান্তে বন্ধ থাকবে দ্বিতীয় হুগলি সেতু। শুধু কলকাতা হাওড়ার মধ্যে সংযোগকারী নয়, এই সেতুল ব্যবহার করে জেলা ও অন্য রাজ্য থেকেও কলকাতা শহরে আসেন মানুষ। বিশেষত রাতের দিকে বহু মালবাহী যান এই সেতু পারাপার করে। স্বাভাবিকভাবেই এই সেতু বন্ধ থাকার খবরে চিন্তার ভাঁজ অনেকের কপালে।
কতক্ষণ বন্ধ থাকবে সেতু
শনিবার মধ্যরাত থেকে পরের দিন সকাল ৬টা এবং রবিবার রাত ১১টা থেকে সোমবার ভোর ৫টা পর্যন্ত এই সেতুতে সব রকমের যান চলাচল বন্ধ থাকবে।
কোন কোন রুট দিয়ে গাড়ি চলবে
- বেহালা-আলিপুরের দিক থেকে আসা গাড়িগুলিকে হসপিটাল রোড, ধর্মতলা, চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ, শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড়, টালা সেতু, বি টি রোড হয়ে নিবেদিতা সেতুতে পাঠানো হবে।
- টালিগঞ্জ-ভবানীপুরের দিক থেকে আসা গাড়িগুলিকে এক্সাইড মোড়, ধর্মতলা হয়ে নিবেদিতা সেতুতে পাঠানো হবে ওই একই রুটে।
- বন্দর এলাকা থেকে আসা গাড়িগুলিকে হেস্টিংস মোড় দিয়ে ঘুরিয়ে স্ট্র্যান্ড রোড, কিংস ওয়ে, ধর্মতলা হয়ে পাঠানো হবে।
- ছোট গাড়িকে সেতুতে উঠতে দেওয়া হবে না। সেগুলি যাতায়াত করবে স্ট্র্যান্ড রোড এবং হাওড়া সেতু হয়ে।
মেরামতির জন্য গত নভেম্বর মাসে প্রায় দেড়মাস, সাঁতরাগাছি উড়ালপুলে যান নিয়ন্ত্রণ করা হয়। সাঁতরাগাছি ব্রিজের এক্সপ্যানশন জয়েন্টে সমস্যা। মেরামতির জন্য ১৯ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত উড়ালপুলে যান নিয়ন্ত্রণ হয়। রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত পুরোপুরি বন্ধ থাকছিল উড়ালপুল। বিজ্ঞপ্তি জারি করে হাওড়া সিটি পুলিশ। এর ফলে চরম ভোগান্তি বাড়ে। হাওড়া থেকে কলকাতায় ঢোকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা সাঁতরাগাছি উড়ালপুল। তেমনই দ্বিতীয় হুগলি সেতু বা বিদ্যাসাগর সেতু।
গত বছর এর জেরে জেরে চরম হয়রানির শিকার হন ট্রাক চালকরা। সকাল থেকে হুগলির বিভিন্ন রাস্তায় আটকে দেওয়া হয় পণ্যবাহী গাড়ি। দিনভর অপেক্ষার পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন চালকরা। কোনা এক্সপ্রেসওয়ে, ডানকুনি সংলগ্ন এলাকায় যানজটে নাকাল হন। এবার দ্বিতীয় হুগলি সেতু রাতে বন্ধ থাকলে তার জেরে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, তাই আগে থেকেই ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন।
আরও পড়ুন :এবার সিবিআই তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন কালিয়াগঞ্জে মৃত নাবালিকার বাবা
আরও পড়ুন

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















