TMC News: সুকান্তনগরে তৃণমূলের নেতার ওয়ার্ড অফিসের ভিতরে বেডরুম ! কী চলত সেখানে ? দরজা খুলতেই যা বেরিয়ে এল ..
Sukanta Nagar TMC Leader Ward Office Controversy: প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলরের ওয়ার্ড অফিসেই বিলাসের আয়োজন। দরজা খুলতেই যা বেরিয়ে এল ..

উত্তর ২৪ পরগনা: প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলরের ওয়ার্ড অফিসেই বিলাসের আয়োজন। সুকান্তনগরে তৃণমূলের নেতার ওয়ার্ড অফিস খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ। তৃণমূলের ওয়ার্ড অফিসের ভিতরে বেডরুম থেকে ড্রেসিং টেবিল।
আরও পড়ুন, বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত, একইসঙ্গে লাল-কমলা-হলুদ সতর্কতা জারি ! প্রবল বর্ষণের পূর্বাভাস রাজ্যজুড়ে
পোকায় খাওয়া কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা। কলেজের ইউনিয়ন রুমে উদ্ধার হল আগ্নেয়াস্ত্র। রেস্টরুমে ঝাঁ চকচকে বাথরুম। শাওয়ার। ছাদে গুচ্ছ গুচ্ছ মদের বোতল। সম্প্রতি এমন ছবিই প্রকাশ্যে এসেছিল, যা কিনা কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজের। বর্ষার আগে সাফাইয়ের জন্য় কলেজের বন্ধ ঘর খুলতেই চক্ষু ছানাবড়া। সেখান থেকে মিলল পোকায় খাওয়া বান্ডিল বান্ডিল নোট। দু-দু'টো ট্রলিব্য়াগের মধ্য়ে দেখা গেল এরকম তা়ড়া তাড়া নোট।
এখানেই শেষ নয়। ইউনিয়ন রুম থেকে উদ্ধার হয়েছে কালো প্যাকেটে মোড়া এই আগ্নেয়াস্ত্র। চারতলায় কয়েকমাস আগে উদ্বোধন হওয়া ক্লাসরুমের পাশে রেস্টরুম খুলে দেখা গেল, সেখানে খাট, আলমারি, এসি কী নেই।সাফাইয়ের জন্য় সুরেন্দ্রনাথ কলেজের এই ঘরটি খোলা হয়। তারপর আলমারি খুলতেই চোখ কপালে ওঠে। দু'টো ট্রলিব্য়াগ খুলতেই দেখা যায়, তার মধ্য়ে রয়েছে তাড়া তাড়া পোকায় খাওয়া টাকা। ঘরে মিলেছিল মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় এবং অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের ছবি-সহ প্ল্য়াকার্ডও।আর সেই সঙ্গে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা। কিছু নোট একেবারে গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে গেছে। কিছু নোট সামান্য় অবশিষ্ট রয়েছে। কিন্তু, কলেজের বন্ধ ঘরে এত টাকা কে বা কারা রাখল? এই টাকা কার? কোথা থেকে এল?
বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, কত টাকা থাকলে পরে টাকা উইতে খায়। এর আগে আমি দেখিয়েছিলাম এই কলেজে এদের ইউনিয়ন ফান্ডে কলেজের অনুষ্ঠান ফান্ডের দেড় কোটি টাকার বেশি এখনও অবধি ডিপোজিট আছে। এখন দেখা যাচ্ছে লাখ লাখ টাকা উই খাওয়া। এই সমস্ত টাকা জনতার, গরিবের টাকা। ছেলেদের ভর্তির টাকা।
বিস্ময় আরও বাকি ছিল চারতলায়। সেখানে এই ঘর খুলে দেখা গেল গদি-সহ খাট, টেবিল, চেয়ার, আলমারি, এসি--- সব ব্য়বস্থা রয়েছে। রয়েছে ঝাঁ চকচকে বাথরুমও। চারতলার ছাদে উদ্ধার হয়েছে মদের বোতল। কিন্তু, কারা আসত এই ঘরে? কী হত এই ঘরে? এত এলাহি ব্য়বস্থা কাদের জন্য়? সজল ঘোষ বলেন, আর কি দেখতে হবে এই জীবনে এখন শুধু সেটাই ভাবছি। আমরা দেখলাম পার্থ বাবুর ঘরে টাকার পাহাড়। তারপর দেখলাম কাউন্সিলরদের পাটের খেতে টাকা পুঁতে রাখা। আজকে দেখলাম, তৃণমূলের ছাত্র নেতারা যদিও তাদের বেশিরভাগের বয়স ৬০-এর বেশি তাঁরা ইউনিয়ন রুমে আলমারির ভেতর লাখ-লাখ টাকা এবং সেই টাকাও উইয়ে খেয়েছে ভাবতে পারেন।
Before You Go
Ashapur Brinjal GI Tag : আমের পর এবার বেগুনেও বাজিমাত! GI ট্যাগ পেল মালদার আশাপুর বেগুন






















