TMC MLA Siuli Saha: আগে একটা প্রোপোজাল দেওয়ার পর আরেকটা বলতে গেলে, বলত বোস... : তৃণমূল বিধায়ক শিউলি সাহা
Siuli Saha: 'একটা বলার পর সেকেন্ডবার বলার সুযোগ থাকত না। একটা প্রোপোজাল দেওয়ার পর সেকেন্ড প্রোপোজাল বললে, বলত বোস, আর বলতে হয় না।'

উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায়, কোলাঘাট : মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠক করেছেন একদা মন্ত্রী এবং এবারের বিধানসভা নির্বাচনে কেশপুর কেন্দ্র থেকে জয়ী তৃণমূল বিহায়ক শিউলি সাহা। বৈঠক শেষে বেরিয়ে কী বললেন তিনি? রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠকের পর শিউলি সাহা বলেছেন, 'নিঃসন্দেহে খুব ভাল লাগল। উনি (মুখ্যমন্ত্রী) ধৈর্যের সঙ্গে শুনেছেন প্রত্যেকটা প্রোপোজাল। আমার কলেজটা করে দেওয়ার জন্য হায়ার অথরিটিকে ওখানেই ধরলেন ভিডিও কনফারেন্সে, বলে দিলেন যে, সম্ভব হলে ওটা করে দিতে। যা যা প্রোপোজাল বললেন ওনার পিএস- এর কাছে জমা দিতে। প্রত্যেকটা প্রোপোজাল শুনেছেন। খুবই ভাল লাগল।' কোলাঘাটে ছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠক।
আগের সরকার নিয়ে কিছুটা উষ্মা প্রকাশও করেছেন শিউলি সাহা। বিধায়িকা বলেছেন, আগের সরকারের প্রশাসনিক বৈঠকে মন্ত্রী থাকাকালীনই, 'একটা বলার পর সেকেন্ডবার বলার সুযোগ থাকত না। একটা প্রোপোজাল দেওয়ার পর সেকেন্ড প্রোপোজাল বললে, বলত বোস, আর বলতে হয় না।' শিউলি সাহা আরও বলেছেন যে, 'আগের সরকারের সময় কাজ হয়নি এটা বললে নিন্দুক হয়ে যাব। কাজ তো নিশ্চয় হয়েছে। ১৫ বছরের সামাজিক প্রকল্পগুলো এখনও রান করছে। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী কোনওটাই বন্ধ করে দেননি। তাহলে কাজ তো নিশ্চয় হয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাবের কোনও কোনও ক্ষেত্রে সদুত্তর পাইনি। মন্ত্রিসভাতে আমাদের কোনও কথা শোনেননি। বলার কোনও সুযোগ ছিল না। চিঠি দিতে গেলেও মুশকিল ছিল। মন্ত্রিসভাতে কথা বলার কোনও সুযোগ আমাদের কাছে ছিল না। মন্ত্রী হিসেবে একটাও ফাইল আমার কাছে আসেনি। যেহেতু গ্রাম পঞ্চায়েত দফতরে ছিলাম, তাই কেউ মারা গেলে, ওই যে চাকরি দেওয়ার ব্যাপার, সেই ফাইল কখনও সখনও এসেছে। বাকি মন্ত্রী হিসেবে কোনও কাজ ছিল না।'
কোলাঘাটে শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ দেব। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে ফের ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে মুখ খুললেন তৃণমূলের তারকা সাংসদ। জানালেন, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন তিনি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই যাতে কাজ শেষ হয়, আবেদন জানিয়েছেন। রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সেই মর্মে তাঁকে কথাও দিয়েছেন বলে দাবি করলেন দেব। এদিন প্রশাসনিক বৈঠক থেকে বেরিয়ে দেব বলেন, "যে মাটি, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের মাটি কাটা শুরু হয়েছিল মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের হাত ধরে। কাজটা শুরু হয়েছিল। আমার কোথাও যেন বিশ্বাস, সেই কাজটা শেষ হবে আমাদের এখনকার যিনি মুখ্যমন্ত্রী, তাঁর হাত ধরে। উনি আমাকে কথা দিয়েছেন। সাংসদের থেকে বড় কথা, আমি একজন জনপ্রতিনিধি। ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের সবচেয়ে বড় কষ্ট বন্যা। সেই বন্যার সবচেয়ে বড় সমাধান ছিল ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান। ২০১৪ সাল থেকে লড়াই চলছিল। ২০২৪ সালে আমি যখন দাঁড়াব না, দিদি কথা দিয়েছিলেন। কথা দিয়ে কথাও রেখেছেন। অর্থবর্ষে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দও হয়েছিল।"
Before You Go
Madan Mitra : "এটা রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থের চেষ্টা", তৃণমূল ভবন নিয়ে মন্তব্য মদন মিত্রর






















