Kali Puja 2025: মাতৃমূর্তি আঁকড়ে হাপুস নয়নে কান্না, কী হল তাঁর? তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বললেন…
Kalyan Banerjee: শারদোৎসবে সন্ধিপুজোর সময় কল্যাণকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় প্রত্যেক বছরই।

দোলতলা: দেবীমূর্তি সামনে দাঁড়িয়ে আকুল কান্না। দুর্গাপুজোয় তাঁকে এভাবেই দেখতে অভ্যস্ত সকলে। কালীপুজোতেও এবার নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। দেবীমূর্তিকে আঁকড়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন তিনি। জানালেন, মায়ের কাছেই কাঁদতে পারে ছেলে। কী চাইলেন দেবীর কাছে, তাও জানালেন। (Kalyan Banerjee)
শারদোৎসবে সন্ধিপুজোর সময় কল্যাণকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় প্রত্যেক বছরই। এবার কালীপুজোতেও কান্নায় ভেঙে পড়লেন আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ। এবছর বাঁকুড়ার দোলতলার বাড়িতে দীপাবলি কাটান তিনি। সেখানে দেবীমূর্তির সামনে বসে মন্ত্রপাঠ করেন তিনি। আরতিও করেন। (Kali Puja 2025)
সে পর্যন্ত সব ঠিক থাকলেও, একটা সময় পর হাউ হাউ করে কেঁদে ওঠেন কল্যাণ। দেবীমূর্তিকে আঁকড়ে একনাগাড়ে কেঁদে চলেন তিনি। মন্ত্রপাঠ করতে গিয়েও ধাক্কা খান। বার বার কান্নায় গলা আটকে যায়। একটা সময় পর দেবীমূর্তির হাতে মাথা রাখেন কল্যাণ। সেই অবস্থায় তাঁকে বলতে শোনা যায়, "ভাল রেখো মা। শক্তি দিও, জ্ঞান দিও, বুদ্ধি দিও।"
দুর্গাপুজো থেকে কালীপুজো, কেন বার বার কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি? সেই নিয়ে সোজাসাপটা জবাব দেন কল্যাণ। তাঁর বক্তব্য, "মায়ের কাছে এলেই কাঁদি। মায়ের কাছেই তো কাঁদে ছেলে! ছেলে কি অন্য কোথাও কাঁদে! মায়ের কাছেই হাসে, মায়ের কাছেই কাঁদে। আর কার কাছে কাঁদবে? বিশ্বমাতা, জগজ্জননী সবাইকে ভাল রাখুক। শক্তি চাইলাম, বুদ্ধি চাইলাম, জ্ঞান চাইলাম, ভক্তি চাইলাম। ব্যাস আর কী!"
দুর্গাপুজোর পর কালীপুজোকে ঘিরেও উৎসবের আমেজ রাজ্য জুড়ে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাড়ির পুজোয় অংশ নিতে দেখা যায়। মঙ্গলবার নৈহাটিতে 'বড় মা'র মন্দিরে পৌঁছন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। 'বড়মা মন্দিরে' পুজো দেন তিনি। সেখানে আরতিও করেন। অভিষেকের সঙ্গে ছিলেন দলের সাংসদ পার্থ ভৌমিকও।
তবে এই উৎসবের আমেজে বাধ সেধেছে দূষণ। দেশের অন্য প্রান্তের মতো, কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় দেদার নিষিদ্ধ শব্দবাজি ফাটানো হয়েছে দীপাবলিতে। দীপাবলির রাতেই কলকাতায় গ্রেফতার হয়েছেন ৬৪০ জন। এর মধ্যে বাজি সংক্রান্ত অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন ১৮৩ জন, অভব্য আচরণের অভিযোগে ৪৫১, জুয়া খেলার অভিযোগে ধৃত ৬। বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৮৫২.৪৫ কেজি নিষিদ্ধ বাজি ও ৬৮ লিটার মদ। ট্রাফিক আইন ভঙ্গের অভিযোগে গ্রেফতার ৮৮২। তবে গত হছরের তুলনায় এ বছর শব্দদূষণের মাত্রা কম বলে জানিয়েছেন সিপি মোজ ভার্মা। ধৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন। তাঁর বক্তব্য, "গত বছরের তুলনায়, এ বছর শব্দদূষণের মাত্রা কম থাকলেও, একাধিক এলাকা থেকে এ সংক্রান্ত অভিযোগ জমা পড়েছে। ১০০-এরও বেশি গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই।"





















