Bayron Biswas: শপথবাক্য পড়তে গিয়ে হোঁচট! খেই হারালেন সাগরদিঘির তৃণমূল বিধায়ক বায়রন! ভুল করে এগিয়ে গেলেন শুভেন্দুর সিটে!
শপথপাঠের টেবিলের সামনে দিয়ে ঘুরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেনদু অধিকারীর আসনের দিকে এগিয়ে যান তিনি

কলকাতা: শপথ গ্রহণে খেই হারালেন সাগরদিঘির নবনির্বাচিত তৃণমূল বিধায়ক। শপথবাক্য পড়তে গিয়ে খেলেন হোঁচটও। গতকাল বিধানসভায় তখন বিধায়ক হিসেবে শপথের জন্য বায়রন বিশ্বাসের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
ঘোষণার পর, আসন ছেড়ে উঠে এগোতে শুরু করেন বায়রন। শপথপাঠের টেবিলের সামনে দিয়ে ঘুরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আসনের দিকে এগিয়ে যান তিনি। আঙুল দেখিয়ে বাইরনকে অন্য দিকে যেতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপর শপথবাক্য পাঠ করতে গিয়ে একাধিক জায়গায় আটকেও যান নবনির্বাচিত তৃণমূল বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস।
বুধবার বিধানসভায় শপথগ্রহণ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার বিকেলে বিধানসভার প্রোটেম স্পিকার হিসেবে শপথ নেন মানিকতলা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক তথা বর্ষীয়ান নেতা তাপস রায়। আগামী দু’দিন নবনির্বাচিত বিধায়কদের শপথ বাক্য পাঠ করানোর গুরুদায়িত্ব সামলাচ্ছেন তিনিই।
আরও পড়ুন, অফলাইনে নয় অনলাইনেই হবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ফিল আপ? কীভাবে আবেদন?
বুধবার সকাল ১০টা ৪৬ নাগাদ বিধানসভায় পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রথমেই বিধায়ক শঙ্কর ঘোষকে নিয়ে অম্বেদকরের মূর্তির ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। বিধানসভার লনে তাঁকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। এরপর শুভেন্দু অধিকারী পৌঁছে যান বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে। সেখানে ঘণ্টা বাজিয়ে পুজো করেন।
এরপর মুখ্যমন্ত্রী চেয়ারে বসেন। তবে বিধানসভায় শুভেন্দু অধিকারীর কুর্সি নিয়ে রয়েছে এক কিসসা। জানা গিয়েছে, বিরোধী দলের নেতা থাকার সময় তিনি যে চেয়ার ব্যবহার করতেন সেই চেয়ারটাই নিয়ে আসা হয়েছে কোন মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে। আর বিগত ১৫ বছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে চেয়ার ব্যবহার করতেন সেটা এখন রয়েছে বিরোধী দলনেতার ঘরে।
শুভেন্দু অধিকারীর পর এরপর একে একে শপথ নেন শাসক ও বিরোধী দলের নব নির্বাচিত বিধায়করা।
শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া মসৃণ করতে জেলাশাসকদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শংসাপত্র সংক্রান্ত নির্দেশিকা। শপথ গ্রহণের সময় প্রত্যেক বিধায়ককে তাঁদের নির্বাচনে জয়ের আসল শংসাপত্র সঙ্গে রাখতে হবে। এছাড়াও, পরিচয়পত্রের জন্য প্রত্যেককে চার কপি স্ট্যাম্প সাইজ রঙিন ছবি আনতে বলা হয়েছে। বিধায়কদের সঙ্গীদের জন্যও রয়েছে নির্দেশিকা। বিধানসভা চত্বরে প্রবেশের জন্য একজন বিধায়ক সর্বোচ্চ দু'জন সঙ্গীকে সঙ্গে রাখতে পারবেন।























