Abu Hasem Khan Choudhury: ৮৮ বছর বয়সে প্রয়াত কংগ্রেস নেতা আবু হাসেম খান চৌধুরী ওরফে ডালু বাবু
Congress Leader: একসময় মালদা দক্ষিণের সাংসদ ছিলেন আবু হাসেম খান চৌধুরী ওরফে ডালু বাবু। ৮ এপ্রিল রাত ৯ টা বেজে ৫০ মিনিট নাগাদ কলকাতার হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর।

কলকাতা : বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। কলকাতায় মৃত্যু হল বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা আবু হাসেম খান চৌধুরীর (Abu Hasem Khan Chowdhury)। বঙ্গ রাজনীতিতে ডালু বাবু (Dalu Babu) নামেই পরিচিত ছিলেন তিন। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুখে ভুগছিলেন তিনি। ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এলগিং রোডের সামারিটান নার্সিংহোমে ভর্তি ছিলেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা (Abu Hasem Khan Chowdhury)। ৮ এপ্রিল রাত ৯ টা বেজে ৫০ মিনিট নাগাদ কলকাতার হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর (Dalu Babu)।
একসময় মালদা দক্ষিণের সাংসদ ছিলেন আবু হাসেম খান চৌধুরী (Abu Hasem Khan Chowdhury) ওরফে ডালু বাবু (Dalu Babu)। একসময় মালদা দক্ষিণের সাংসদ হিসাবে হ্যাট্রিক করেছিলেন আবু হাসেম খান চৌধুরী (Dalu Babu)। একসময় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি (Abu Hasem Khan Chowdhury)।
আবু হাশেম খান চৌধুরীর (Abu Hasem Khan Chowdhury) মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা কংগ্রেস পরিবার (West Bengal Pradesh Congress Committee)। তাঁকে শ্রদ্ধা জানতে গোটা পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেসের সব দলীয় কার্যালয়ে পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। এ ছাড়াও ডালু বাবুকে (Abu Hasem Khan Chowdhury) শ্রদ্ধা জানাতে জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থীর আড়ম্বরহীন প্রচর করবেন বলেও জানা গিয়েছে দলের তরফে। কংগ্রেসের তরফে পোস্ট করে জানানো হয়েছে, প্রয়াত জন নেতা আবু হাসেম খান চৌধুরীর (Abu Hasem Khan Chowdhury) প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ৯ এপ্রিল সকালে মালদা রওনা হবেন পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস (West Bengal Pradesh Congress Committee) সভাপতি শুভঙ্কর চৌধুরী।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস (West Bengal Pradesh Congress Committee) সভাপতি শুভঙ্কর চৌধুরী বলেন, "১০ টার দিকে কোনও একটা শকে আমাদের সবার ডালু দা (Abu Hasem Khan Chowdhury) আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে গেলেন এই খবর পাওয়ার পর স্বাভাবিক ভাবেই পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস পরিবার, কংগ্রেসের যত মানুষ রয়েছেন, তাঁরা খুবই শোকাহত। আমি মনে করি যে নির্বাচনের আগে ডালু দার (Abu Hasem Khan Chowdhury) চলে যাওয়া কংগ্রেস পরিবারের কাছে, পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের (West Bengal Pradesh Congress Committee) কাছে বিশেষ ভাবে মালদার কাছে খুবই দুঃখজনক বিষয়।"
উল্লেখ্য, মালদার জন নেতা আবু বরকত আতাউর গনি খান চৌধুরী ছিলেন তাঁর দাদা। তাঁকে মালদার রূপকারও বলা হয়ে থাকে। তিনি ১৯৮০ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত মালদার সংসদও ছিলেন। ইন্দিরা গান্ধীর ক্যাবিনেটে ছিলেন রেলমন্ত্রীও।






















