Wajahat Khan Case: দেশব্য়াপী হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ, শর্মিষ্ঠা পানোলির বিরুদ্ধে অভিযোগকারী এবার পুলিশের জালে
Wajahat Khan Arrest: সোশাল মিডিয়ায় বিতর্কিত পোস্টের জেরে কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা পানোলি। তাঁর বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগ এনেছিলেন ওয়াজাহাত খান।

কলকাতা: শর্মিষ্ঠা পানোলির বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ওয়াজাহাত খানের (Wajahat Khan Case) গ্রেফতারিতে নতুন মোড়। তাঁকে হেফাজতে নিতে আদালতে গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে হাজির হরিয়ানা পুলিশের আইনজীবী। আদালতে হাজির থাকলেও ওয়াজাহাতকে হেফাজতে নিতে চায়নি অসম পুলিশ। অভিযুক্তকে ১৬ জুন পর্যন্ত কলকাতা পুলিশের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
সোশাল মিডিয়ায় বিতর্কিত পোস্টের জেরে কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা পানোলি। তাঁর বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগ এনেছিলেন ওয়াজাহাত খান। এবার সেই তাঁকেই গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ। ২ জুন ওয়াজাহাতের বিরুদ্ধে গল্ফগ্রিন থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। এক সপ্তাহের মাথায় সোমবার কেশবচন্দ্র সেন লেনের ফ্ল্যাট থেকে গ্রেফতার করা হয় ওয়াজাহাত খানকে। তাঁর বিরুদ্ধে দেশব্য়াপী হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন রাজ্যের থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। যার মধ্য়ে রয়েছে কলকাতার গল্ফগ্রিন থানাও। মঙ্গলবার অভিযুক্তকে আলিপুর আদালতে তোলা হলে সেখানে কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি ছিল হরিয়ানা ও অসম পুলিশ। অভিযুক্তর আইনজীবী দিব্য়েন্দু ভট্টাচার্য বলেন, "দুটো রাজ্য়ের পুলিশ এসেছিল। হরিয়ানা পুলিশ ছিল তাঁরা আবেদন করেন সেই আবেদনে বলেন আমাদের হেফাজতে দেওয়া হোক। কোর্ট যেহেতু বললেন, যেহেতু গল্ফগ্রিন থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সেহেতু এই মুহূর্তে আমরা দিতে পারি না। আসাম পুলিশ তাঁরা আজ কোর্টে উপস্থিত ছিল। আসাম পুলিশ কোনও আবেদন দেয়নি আজ কোর্টে।''
মঙ্গলবার ওয়াজাহাতকে আলিপুর আদালতে পেশ করা হলে, সরকারি আইনজীবী শুভাশিস ভট্টাচার্য বলেন, ২০২২ সাল থেকে দেশব্যাপী হিংসা ছাড়ানোর চেষ্টা করেছে অভিযুক্ত। আজ (মঙ্গলবার) এই কোর্টে হরিয়ানা পুলিশ আর আসাম পুলিশ দাঁড়িয়ে আছে। অভিযুক্তের আইনজীবী দিব্য়েন্দু ভট্টাচার্য জামিনের আবেদন করে বলেন ৩ বছর আগের পোস্ট। বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। হরিয়ানা পুলিশের আইনজীবী চন্দন কুমার সাহা বলেন, শোন অ্য়ারেস্টের আবেদন আছে। অভিযুক্তের পোস্টে বহু জায়গায় আগুন লেগেছে। গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে এসেছি। সওয়াল জবাবের পর অভিযুক্তর জামিনের আবেদন খারিজ করে ১৬ জুন পর্যন্ত কলকাতা পুলিশের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয় আলিপুর আদালত। অসম পুলিশের আইনজীবী আদালতে হাজির থাকলেও হরিয়ানা পুলিশ আবেদন করায় তারা হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করেনি। ১৬ জুন এই মামলার পরবর্তী শুনানি। হরিয়ানা পুবিশের আইনজীবী চন্দন কুমার সাহা বলেন, "২৩ তারিখ পর্যন্ত পুলিশ হেফাজত চেয়েছিল কলকাতা পুলিশ। কোর্ট সেটা ১৬ তারিখ পর্যন্ত পিসি দিয়েছে। হরিয়ানা পুলিশ এখানে যেহেতু রিমান্ডে এসেছে ওরা রিমান্ডে নিয়ে যাওয়ার জন্য় চেয়েছে। ১৬ তারিখে আবার প্রোডাকশন আছে।''






















