West Bengal Election 2026 : মেয়ের ভয়াবহ মৃত্যুর কাঙ্ক্ষিত বিচার আজও অধরা! এবার ভোটে কাকে চাইছেন 'অভয়া'র মা-বাবা?
RG Kar Case : মনে এখন শুধুই হতাশা আর পড়ে থাকা স্মৃতি । ২০২১ এর বিধানসভা ভোটে মেয়ের সঙ্গে গিয়েছিলেন। ভোট দিতে তাঁরা একসঙ্গেই যেতেন। কিন্তু এবার ...

সুকান্ত মুখোপাধ্যায়, কলকাতা : কয়েক মাস পরই বিধানসভা ভোটের লাইনে দাঁড়াবে পশ্চিমবঙ্গবাসী। ভোটের লাইনে দাঁড়াবেন ওঁরা দু'জনও! কিন্তু এবার আর আগলে নিয়ে যাওয়ার জন্য থাকবে না মেয়ে! ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসের এক ভয়াবহ নজিরবিহীন ঘটনা, যা নড়িয়ে দিয়েছিল সারা বিশ্বকে। যা কাঁপিয়ে দিয়েছিল কলকাতার রাজপথ। প্রতিবাদে গর্জে উঠেছিল সারা সমাজ। কত রাত দখল, কত রাজপথ দখল, দিনের পর দিন বিচার চেয়ে অনশন। তবুও শান্তি পাননি একমাত্র মেয়েকে হারিয়ে ফেলা মা-বাবা।
আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত অবস্থায় ধর্ষণ ও খুন হতে হয়েছিল চিকিৎসক মেয়েকে! নৃশংস সেই ঘটনায় ১৮ মাস ধরে ন্যায়বিচারের দাবিতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন অভয়ার মা-বাবা। এদিকে আর কয়েক মাস পরেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। এবারের ভোটটা তাঁদের কাছে অন্য একরকম ভোট! সেই 'অন্য ভোট'-এর আগে কী বলছেন মেয়ে হারানো প্রৌঢ় দম্পতি?
আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে তরুণী চিকিৎসককে নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল রাজ্যবাসীকে। এক নিমেষে ফাঁকা হয়ে গেছিল এই প্রৌঢ় দম্পতির পৃথিবীটা । তারপর থেকেই নিজেদের অনেকটা গুটিয়ে নিয়েছেন তাঁরা। হতাশ মুখগুলোর একটাই কথা, 'আমাদের কাছে তো ভোটের কোনও মূল্যই নেই। কারণ আমরা ভোট দিতে যাব কিনা সেটা নিয়েই সন্দেহ আছে ! ' চিকিৎসক মেয়েকে নৃশংস ভাবে হারিয়ে ফেলা মায়ের মনে এখন শুধুই হতাশা আর পড়ে থাকা স্মৃতি । ২০২১ এর বিধানসভা ভোটে মেয়ের সঙ্গে গিয়েছিলেন। ভোট দিতে তাঁরা একসঙ্গেই যেতেন। কিন্তু এবার ...
যে দলই সরকার গড়ুক, ক্ষমতার শীর্ষে যিনিই থাকুন, এখন সব-হারানো-মায়ের একটাই চাওয়া...বিচার, সুবিচার। 'যেই আসুক তার কাছে আমাদের আবেদন থাকবে, শুধু আমার মেয়ের ন্যায়বিচার নয়, আমাদের মেয়ের এই ঘটনা ঘটার পরে নাহলেও দুশোটা ঘটনা ঘটেছে, হাসপাতালের মধ্যে একজন ডাক্তার পরিষেবা দিচ্ছিল, সেখানে ঘটেছে। এই তদন্ত করার জন্য এতদিন সময় লাগার কথা না। এটা যেন দ্রুত আমরা বিচার পাই।'
মেয়ে আর কোনওদিন ফিরবে না। যে রহস্য রয়ে গেছে, তার কিনারা কি হবে? নাকি এভাবেই দিনে দিনে তলিয়ে যাবে সবটা ? এই উত্তরটুকু আশাতেই তাঁদের দিনযাপন, শ্বাসপ্রশ্বাস।






















