Mahua Moitra: 'যে মহিলা কংগ্রেসের সুদিনে বেরিয়ে এসে ৩৪ বছর লড়াই করে নিজের সিম্বলে সরকার করে ১৫ বছর মুখ্যমন্ত্রী থাকতে পারেন...', তৃণমূলের প্রতীকের 'মালিকানা' প্রসঙ্গে কী বললেন সাংসদ মহুয়া মৈত্র ?
TMC Logo Controversy: মহুয়া মৈত্র বলেছেন, 'মমতা ব্য়ানার্জির ভোট, মমতা ব্য়ানার্জি যে প্রতীকই আঁকবেন বাংলার মানুষ সেই প্রতীকেই যাবে। প্রতীক বড় খবর নয়।'

Mahua Moitra: তৃণমূলের প্রতীক কার দখলে থাকবে? জোড়াফুল প্রতীক যাবে কার হাতে? এই নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। আর তার মধ্যেই তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র বললেন, 'যে মহিলা কংগ্রেসের সুদিনে বেরিয়ে ৩৪ বছর লড়াই করে নিজের সিম্বলে সরকার গড়ে ১৫ বছর মুখ্যমন্ত্রী থাকতে পারে, সেই মহিলা আরেকবার করে ওই ২ কোটি ৬০ লক্ষ ভোট, যেটা জোড়াফুলে পড়েছিল, এরা একটাও জাভেদ খানের ভোট নয়। ঋতব্রতর ভোট নয়। আর ববি-অরূপের ভোট নয়। এরা একেবারে কলঙ্ক। মমতা ব্য়ানার্জির ভোট মমতা ব্য়ানার্জি যে প্রতীকই আঁকবে বাংলার মানুষ সেই প্রতীকেই যাবে। প্রতীক বড় খবর নয়।'
মহুয়া বলেছেন, 'তাঁদের এখন বিশাল লড়াই... তাঁদের দিল্লির থেকে নাকি আইনজীবী এসেছেন... তাঁরা ঠিক করবেন যে তাঁরা প্রতীক চান কিনা... আমি আগেও বলেছি, আবারও বলছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের হাতে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক এঁকেছিলেন। যে মহিলা কংগ্রেস থেকে কংগ্রেসের সুদিনে বেরিয়ে এসে ৩৪ বছর লড়াই করে নিজের প্রতীকে সরকার গড়ে ১৫ বছর মুখ্যমন্ত্রী থাকতে পারেন, সেই মহিলা আরেকবার প্রতীক করে ওই ২ কোটি ৬০ লক্ষ ভোট, যেটা জোড়াফুলে পড়েছিল, এরা একটাও জাভেদ খানের ভোট নয়। ঋতব্রতর ভোট নয়। আর ববি-অরূপের ভোট নয়। এরা একেবারে কলঙ্ক। মমতা ব্য়ানার্জির ভোট, মমতা ব্য়ানার্জি যে প্রতীকই আঁকবেন বাংলার মানুষ সেই প্রতীকেই যাবে। প্রতীক বড় খবর নয়।'
'আমি ময়দানে নামলে...', হুমায়ুন কবীরের বিতর্কিত মন্তব্য, থানায় অভিযোগ দায়ের বিজেপির
আসল তৃণমূল কারা, তা নিয়ে দ্বন্দ্ব কাটার আগেই ২১ জুলাইয়ের সমাবেশ নিয়ে শুরু হল ২ তৃণমূলের দড়ি টানাটানি। নিজেদের আসল বলে দাবি করে শহিদ দিবস পালনের জন্য পুলিশকে চিঠি দিল কালীঘাট তৃণমূল ও ঋতব্রত তৃণমূল। ভোটে ভরাডুবির পর ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে তৃণমূল। বিধানসভায় বিরোধী দলের ওপর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে। একদিকে 'ঋতব্রত-তৃণমূল', তো অন্যদিকে 'কালীঘাট-তৃণমূল', কার্যত দুই ভাগ হয়ে গেছে রাজ্যের সদ্যপ্রাক্তন শাসকদল। এই অবস্থায় সামনেই ২১ জুলাই। তৃণমূলের সবচেয়ে বড় রাজনৈতির কর্মসূচি। এবছর সেই কর্মসূচি কে করবে? কোথায় করবে? তা নিয়েই এবার 'কালীঘাট-তৃণমূল' ও 'ঋতব্রত-তৃণমূল'-এর মধ্যে দড়ি টানাটানি শুরু হল। 'কালীঘাট-তৃণমূল' সূত্রে খবর, গত কয়েক দশক ধরে যেভাবে পালন করা হচ্ছে, ঠিক সেভাবেই, ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে ২১ জুলাই ‘শহিদ দিবস’ পালনের অনুমতি চেয়ে কলকাতা পুলিশের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে সূত্রের খবর, নিজেদের আসল তৃণমূল দাবি করে, ২১ জুলাই শহিদ দিবস পালনের জন্য পুলিশ কমিশনারকে চিঠি দিয়েছে 'ঋতব্রত-তৃণমূল'।























