এক্সপ্লোর
মিষ্টি খেতে ভালবাসি, দীর্ঘদিন এক বয়ফ্রেন্ড ছিল, অস্টিওআর্থারাইটিসে আক্রান্ত, খোলাখুলি বিপাশা

মুম্বই: গোদরেজ সিন্থল সুপারমডেল প্রতিযোগিতা, ১৯৯৬ জেতার পরই শুরু মডেলিং। তারপর ২০০১ সালে 'আজনাবি' ছবি দিয়ে বলিউডে প্রবেশ। টিনসেল টাউনে পা রেখেই সেরা ফিমেল ডেবু পুরস্কার জিতে নেন ডাস্কি বিউটি বিপাশা বসু। এবার তিনি মন খুলে কথা বললেন নিজের সম্পর্কে। সেই সাক্ষাত্কার থেকেই জানা গেল কাজ থাকলে বিপাশার দিন শুরু হয় ভোর চারটের সময়। না হলে তিনি ঘুম থেকে ওঠেন সকাল আটটায়। ফের দুপুর একটার সময় তিনি শুয়ে পড়েন। রাতে খুব বেশি হলে সাড়ে বারোটা অবধি জেগে থাকেন। তিনি নিজে মুখেই জানিয়েছেন, নিজের কিছু খারাপ অভ্যাসের জন্যে খুব অল্প বয়সে তিনি অস্টিওআর্থারাইটিসে আক্রান্ত হয়ে পড়েন।
তবে এখন নিয়ম মেনে ওয়ার্কআউট করেন। অন্তত দিনে দুঘণ্টা শরীরচর্চাতো করেনই। খ্যাদাভ্যাসও সম্পূর্ণ বদলে ফেলে তিনি এখন অনেকটাই ভাল আছেন। বিপস জানাচ্ছেন, তিনি মূলত বাড়ির তৈরি রান্নাই খান। মিষ্টি খুবই কম খান, মাঝেমধ্যে আত্মীয়স্বজনের বাড়ি গেলে। প্রাতঃরাশে ওটস, ডিম, ফলের রস খান। দুপুরে চিকেন, ডাল এবং সবজি থাকে বিপাশার মেনুতে। রাতে খান ডাল এবং সবজি।মদ্যপানও মাঝেমধ্যেই করেন। শ্যাম্পেন বা আঙুরের রস, কখনও কোনও জন্মদিনের পার্টিতে।
নিজের ব্যক্তি জীবনের কথা বলতে গিয়ে বিপাশা জানান, একসময় তিনি বহু পুরুষের থেকে ডেটে যাওয়ার প্রস্তাব পেয়েছেন। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে কোথাও তিনি যাননি। তিনি দীর্ঘদিন একজনের সঙ্গেই প্রেম করেছেন। বিয়ে প্রসঙ্গেও বিপসের মত বেশি বয়সে বিয়ে করলে অনেক সময়ই মানিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হয়। যদিও তাঁর ক্ষেত্রে তেমন কিছুই ঘটেনি। করন সিংহ গ্রোভারকে বিয়ে করে নিজেকে তিনি খুবই ভাগ্যবতী মনে করেন। কারণ তাঁরা দুজনে যেমন ছিলেন তেমনই থেকে গেছেন। কেউ নিজেকে কারও জন্যে পাল্টে ফেলেননি।
তবে এখন নিয়ম মেনে ওয়ার্কআউট করেন। অন্তত দিনে দুঘণ্টা শরীরচর্চাতো করেনই। খ্যাদাভ্যাসও সম্পূর্ণ বদলে ফেলে তিনি এখন অনেকটাই ভাল আছেন। বিপস জানাচ্ছেন, তিনি মূলত বাড়ির তৈরি রান্নাই খান। মিষ্টি খুবই কম খান, মাঝেমধ্যে আত্মীয়স্বজনের বাড়ি গেলে। প্রাতঃরাশে ওটস, ডিম, ফলের রস খান। দুপুরে চিকেন, ডাল এবং সবজি থাকে বিপাশার মেনুতে। রাতে খান ডাল এবং সবজি।মদ্যপানও মাঝেমধ্যেই করেন। শ্যাম্পেন বা আঙুরের রস, কখনও কোনও জন্মদিনের পার্টিতে।
নিজের ব্যক্তি জীবনের কথা বলতে গিয়ে বিপাশা জানান, একসময় তিনি বহু পুরুষের থেকে ডেটে যাওয়ার প্রস্তাব পেয়েছেন। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে কোথাও তিনি যাননি। তিনি দীর্ঘদিন একজনের সঙ্গেই প্রেম করেছেন। বিয়ে প্রসঙ্গেও বিপসের মত বেশি বয়সে বিয়ে করলে অনেক সময়ই মানিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হয়। যদিও তাঁর ক্ষেত্রে তেমন কিছুই ঘটেনি। করন সিংহ গ্রোভারকে বিয়ে করে নিজেকে তিনি খুবই ভাগ্যবতী মনে করেন। কারণ তাঁরা দুজনে যেমন ছিলেন তেমনই থেকে গেছেন। কেউ নিজেকে কারও জন্যে পাল্টে ফেলেননি। Before You Go
Jisshu Sengupta: যাদের যাদের যা যা বলার, ভালো-মন্দ বা অভিমানের কথা, বলে ফেলা খুব জরুরি

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















