Samantha Ruth Prabhu Wedding : লাল শাড়ি পরে বাঁধা পড়লেন সাত পাকে, চার হাত এক হল সামান্থা-রাজের, জল্পনা তুঙ্গে
শোনা যাচ্ছে , এক্কেবারে ব্যক্তিগত পরিসরে চারহাত এক হয়েছে অভিনেত্রী সামান্থা ও তাঁর নতুন সঙ্গীর।

নাগার্জুন এখন অতীত। পুরনো জীবনসঙ্গী নতুন জীবনে সেটলড। এবার নতুন সঙ্গীর সঙ্গে সাত পাক ঘুরলেন দক্ষিণী হার্টথ্রব অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুও। শুরু হল তাঁর নতুন জীবন। শোনা যাচ্ছে , এক্কেবারে ব্যক্তিগত পরিসরে চারহাত এক হয়েছে অভিনেত্রী ও তাঁর নতুন সঙ্গীর।
এর আগে দক্ষিণী তারকা নাগার্জুনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন সামান্থা। শোনা যাচ্ছে, সামান্থা ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান’ -এর পরিচালক রাজ নিদিমোরুর সঙ্গে গোপনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। যদিও, তাঁরা দুজনেই এখনও তাঁদের বিয়ের খবর আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেননি।
লাল শাড়ি পরে নববধূ সামান্থা রুথ প্রভু
এইচটি সিটি তাদের এক সূত্রকে উদ্ধৃত করে লিখেছে, সামান্থা এবং রাজ সোমবার সকালে বিয়ে করেছেন। বিয়েটি ঈশা যোগা সেন্টারের লিঙ্গ ভৈরব মন্দিরে সম্পন্ন হয়েছে। এই বিয়েতে ৩০ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন। সামান্থা বিয়ের জন্য লাল রঙের শাড়ি পরেছিলেন।
View this post on Instagram
রাজের প্রাক্তন স্ত্রী এই পোস্টটি করেছিলেন
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রবিবার রাত থেকে তাঁদের বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ে। রাজ এবং সামান্থা দুজনেরই এটি দ্বিতীয় বিয়ে। রাজের প্রাক্তন স্ত্রী শ্যামলী দে ( Sshyamali De )। তিনি ইনস্টাগ্রামে একটি স্টোরিও পোস্ট করেছিলেন। যেখানে লেখা ছিল- হঠকারী মানুষরা হঠকারী কাজ করে। এই পোস্টের পর থেকে সামান্থা এবং রাজের বিয়ের খবর আরও বেশি করে আলোচনায় আসে। ২০২২ সালে রাজ এবং শ্যামলীর বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
সকলেই জানেন, সামান্থা রুথ প্রভুর প্রথম বিয়ে হয়েছিল নাগা চৈতন্যের সঙ্গে। তাঁদের বিয়েও টেকেনি। ২০২১ সালে তাঁরা বিবাহবিচ্ছেদ করেন। এরপর দুজনেই তাঁদের জীবনে নতুন পছে এগিয়ে গিয়েছেন। নাগা চৈতন্যও দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। তিনি অভিনেত্রী শোভিতা ধুলিপালার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। নাগা চৈতন্যের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সামান্থা এবং রাজ একসঙ্গে ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান ২’ ওয়েব সিরিজে কাজ করেছিলেন। এরপর থেকে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে এবং ধীরে ধীরে তাঁদের মধ্যে প্রেম হয়। এরপর থেকেই তাঁদের বিয়ে নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। এখন তাঁদের বিয়ের খবর নিয়ে আলোচনা চলছে।
Before You Go
Jisshu Sengupta: যাদের যাদের যা যা বলার, ভালো-মন্দ বা অভিমানের কথা, বলে ফেলা খুব জরুরি






















