এক্সপ্লোর
বাজপেয়ীর শোকসভায় ‘ভারত মাতা কী জয়’ বলার জের? শ্রীনগরে ঈদের প্রার্থনায় ‘গো ব্যাক’ স্লোগান, ওরা আমার নিজেরই লোক, বিপথগামী, বললেন ফারুক

শ্রীনগর: প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর স্মরণসভায় ‘ভারত মাতা কী জয়’ বলার জের? গত ২০ আগস্ট নয়াদিল্লিতে বাজপেয়ীর প্রার্থনাসভায় আবেগমাখা ভাষণ দিয়ে ‘ভারত মাতা কী জয়’ বলেন ফারুক। বুধবার শ্রীনগরের ঐতিহাসিক হজরতবাল মসজিদে ফারুক আবদুল্লার হেনস্থায় এই প্রশ্নই উঠছে। জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতাকে এদিন সেখানে ঈদের প্রার্থনার সময় ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করে একদল লোক। তাঁকে উদ্দেশ্য করে ফারুক আবদুল্লা গো ব্যাক, হাম কেয়া চাহতে হ্যায়, আজাদি ইত্যাদি স্লোগানও দেয় তারা। কয়েকজন তাঁর দিকে ধেয়ে আসার চেষ্টা করে। তিনি অসুস্থতার জন্য সামনের সারিতে চেয়ারে বসেছিলেন। তবে কিছু লোক মানবশৃঙ্খল গড়ে তাদের আটকে দেয়। শ্রীনগরের প্রাক্তন সাংসদকে রক্ষা করতে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেন নিরাপত্তাকর্মীরাও। ফারুক বরাবর হজরতবালেই ঈদের প্রার্থনায় যোগ দেন। এদিন উত্তেজিত যুবকদের স্লোগান কটাক্ষ, স্লোগান সত্ত্বেও ফারুক অবিচলিত থেকে জানান, ওরা ‘তাঁর নিজেরই লোক’, যদিও বিপথে চালিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, আমি ঈদের প্রার্থনাসভা ছাড়িনি, প্রার্থনা শেষ করেছি। ওরা আমার নিজেরই লোক। ওরা বিপথগামী। ওদের নেতা হিসাবে দায়িত্ব অস্বীকার করতে পারি না আমি। কিছু লোক মাথা গরম করেছে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে, আমি পালিয়ে যাব। সবাইকে একজোট রাখা আমার দায়িত্ব। মিডিয়ার কেউ কেউ ঘটনা নিয়ে তিলকে তাল করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বলেন, একজন রাজনীতিককে কখনও মানুষের রোষে পড়তে হয় বইকী। আমার শুধু আশা, ওই বিপথগামী যুবকদের ঠিকমতো বোঝানো হবে।
তিনি বলেন, আমি ঈদের প্রার্থনাসভা ছাড়িনি, প্রার্থনা শেষ করেছি। ওরা আমার নিজেরই লোক। ওরা বিপথগামী। ওদের নেতা হিসাবে দায়িত্ব অস্বীকার করতে পারি না আমি। কিছু লোক মাথা গরম করেছে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে, আমি পালিয়ে যাব। সবাইকে একজোট রাখা আমার দায়িত্ব। মিডিয়ার কেউ কেউ ঘটনা নিয়ে তিলকে তাল করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বলেন, একজন রাজনীতিককে কখনও মানুষের রোষে পড়তে হয় বইকী। আমার শুধু আশা, ওই বিপথগামী যুবকদের ঠিকমতো বোঝানো হবে। আরও পড়ুন
সেরা শিরোনাম
খবর
খবর
খবর
ব্যবসা-বাণিজ্যের























