Navjot Kaur Sidhu : দল ছেড়েছিলেন আগেই, সিধু-ঘরণী নভজ্যোৎ কৌরকে বহিষ্কার করল কংগ্রেস !
Punjab Congress : তাঁর অভিযোগ, নেতৃত্বকে ঘিরে থাকা একটি চক্র "টিকিট বিক্রি" এবং "বিলাসিতা উপভোগ করছিল", অন্যদিকে নেতৃত্বকে সত্য থেকে "নির্বাসিত" রেখেছিল।

কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করা হল নভজ্যোৎ সিং সিধুর স্ত্রী ও প্রাক্তন বিধায়ক নভজ্যোৎ কৌর সিধুকে। পাঁচদিন আগেই দল থেকে ইস্তফার কথা ঘোষণা করেছিলেন তিনি। এদিন কংগ্রেসের পাঞ্জাবের ইনচার্জ ও ছত্তীসগঢ়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল ব্যাখ্যা দেন, নভজ্যোৎ কৌর সিধুকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়ে দলের নেতা রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ করেন নভজ্যোৎ কৌর। 'পাপ্পু' বলে নিশানা করেন তিনি।
প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক রাজকুমার ভার্কার বাড়িতে ছিলেন বাঘেল। সেখানে পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির প্রধান অমরিন্দর সিং রাজার সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। তিনি জানান, এর আগে সাসপেনশনে ছিলেন নভজ্যোৎ কৌর। এবার তাঁকে বহিষ্কার করছে দল। এই বহিষ্কারের পাল্টা দলীয় নেতৃত্বকে তীব্র আক্রমণ করেন নভজ্যোৎ কৌর। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, "পাপ্পু অবশেষে তাঁর নামের ওপর সিলমোহর দিলেন। একজন নেতা যিনি নিজেকেই একমাত্র সৎ এবং জ্ঞানী ব্যক্তি বলে মনে করেন, বাস্তবতা সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ।"
তাঁর অভিযোগ, নেতৃত্বকে ঘিরে থাকা একটি চক্র "টিকিট বিক্রি" এবং "বিলাসিতা উপভোগ করছিল", অন্যদিকে নেতৃত্বকে সত্য থেকে "নির্বাসিত" রেখেছিল। তাঁর সংযোজন, "জরুরি বার্তায় সাড়া দিতে তাঁর ছয় মাসেরও বেশি সময় লেগে যায়। যার ফলে সময়ের অপচয় অনিবার্য।" তিনি দলীয় নেতৃত্বেকে আরও "সচেতন, পরিণত এবং ব্যবহারিক" হতে পরামর্শ দেন।
নভজ্যোৎ কৌর সিধু এবং দলীয় নেতৃত্বের মধ্যে দ্বন্দ্ব গত বছরের ৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়। সেই সময় তাঁকে প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। "যে ব্যক্তি ৫০০ কোটি টাকার স্যুটকেস দেয়, সে মুখ্যমন্ত্রী হয়" এই বিতর্কিত দাবির প্রেক্ষিতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে। "আমরা সবসময় পাঞ্জাব এবং পাঞ্জাবিয়তের পক্ষে কথা বলি... কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসার জন্য ৫০০ কোটি টাকা আমাদের নেই," রাজ্যপাল গুলাব চাঁদ কাটারিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের পর সংবাদমাধ্যমের কাছে এই কথা বলেছিলেন সিধু-ঘরণী।
প্রসঙ্গত, প্রাক্তন ক্রিকেটার ও পাঞ্জাব কংগ্রেসের প্রাক্তন প্রধান নভজ্যোৎ সিং সিধুর স্ত্রী নভজ্যোৎ কৌর। এর আগে অমৃতসর পূর্ব আসনে বিজেপির বিধায়ক ছিলেন। ২০১৭ সালে বিধানসভা নির্বাচনের আগে সিধু-দম্পতি কংগ্রেসে যোগ দেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে পাঞ্জাবে স্বাগত জানিয়ে সম্প্রতি তাঁর সোশাল মিডিয়া পোস্টে জল্পনা ছড়ায় যে, তিনি বিজেপিতে প্রত্যাবর্তন করতে পারেন।























