ইরানে আকাশ থেকে ঝরবে অ্যাসিড ! শ্বাসে ঢুকবে বিষ, জ্বলতে পারে চামড়া, ভয়ঙ্কর আশঙ্কা
শুধু প্রাণহানি বা সম্পত্তি হানি ঘটছে তাই নয়, বাতাস ভারী হয়ে উঠছে হাইড্রোকার্বন, সালফার ও নাইট্রোজেন অক্সাইডে। এর ফলে বাড়ছে বিষ বৃষ্টির আঙঙ্কা।

পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা চরমে। আক্রমণের বিরাম - বিশ্রাম নেই। ইরানে ক্রমাগত মিসাইল ছুড়ছে ইজরায়েল -আমেরিকা। একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পড়ছে আকাশ থেকে। পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর ইরানে ! তেহরানে তেলের ডিপো ও জ্বালানি মজুদ কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে, ক্রমাগত হামলা করেছে আমেরিকা। একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটছে জ্বালানির ঘাঁটিগুলোতে। এর ফলে যে শুধু প্রাণহানি বা সম্পত্তি হানি ঘটছে তাই নয়, বাতাস ভারী হয়ে উঠছে হাইড্রোকার্বন, সালফার ও নাইট্রোজেন অক্সাইডে। এর ফলে বাড়ছে বিষ বৃষ্টির আঙঙ্কা। এবার অ্যাসিড বৃষ্টি হতে পারে তেহরানে, সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন।
তেহরানে কী ঘটছে?
ইজরায়েল ও আমেরিকা তেহরানের আশেপাশের তেল স্টোরেজ ও ফুয়েল ডিপোগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা করছে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটছে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ। শহর ঢেকে যাচ্ছে কালো ধোঁয়া ও বিষাক্ত গ্যাসে। এই পরিস্থিতিতে গোদের উপর বিষফোঁড়া হতে পারে অ্যাসিড বৃষ্টি। সকলকে বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এভাবে পরপর তেলের স্টোরেজে বিস্ফোরণ ঘটার ফলে বাতাসে এন সব রাসায়নিক ছড়িয়ে পড়ছে। যে কোনও সময় অ্যাসিড বৃষ্টি হতে পারে তেহরানে। এর ফলে ত্বকে জ্বালা এবং শ্বাসকষ্ট বাড়তে পারে। বৃষ্টির সঙ্গে মিশে থাকা সালফার ও নাইট্রোজেন অক্সাইড ত্বক ও শ্বাসনালীর ক্ষতি করতে পারে। এরকম বৃষ্টি শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য ভয়ঙ্কর ক্ষতিকারক হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সমস্যাও তৈরি হতে পারে। বাতাস ঢেকে যেতে পারে বিষ-বাষ্পে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এমন পরিবেশে বাইরের কাজ করা অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে।






















