Nadia News: ভোররাতে গভীর ঘুমে পুত্রবধূ ও তাঁর মা, আচমকাই কুড়ুলের কোপ ! "খুন" হবার আগে কি আর্তনাদের সুযোগটাও কি পেয়েছিলেন ? ভয়াবহ ঘটনা নদিয়ায়
Nadia Double Murder Case : নদিয়ার রাণাঘাটে কুড়ুলের কোপে জোড়া খুন, গ্রেফতার শ্বশুর।

সুজিত মণ্ডল, নদিয়া : নদিয়ার রাণাঘাটে কুড়ুলের কোপে জোড়া খুন, গ্রেফতার শ্বশুর। নদিয়ার রাণাঘাট থানার হবিবপুর আশুতোষপুর গ্রামে চাঞ্চল্যকর জোড়া খুনের ঘটনা সামনে এসেছে। অভিযোগ, কুড়ুল দিয়ে নৃশংসভাবে ছেলের বউ ও তার মাকে কুপিয়ে খুন করেছেন শ্বশুর। এই ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত বৃদ্ধকে আটক করেছে।
আরও পড়ুন, "তৃণমূলকে ভোট না দিলে কাটা যাবে নাম.." ? SIR আবহে বিস্ফোরক অভিযোগ অধীরের !
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার ভোররাতে অনন্ত বিশ্বাস (প্রায় ৭০) নামে এক ব্যক্তি কুড়ুল দিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় নিজের ছেলের স্ত্রী শিল্পা বিশ্বাস মণ্ডল (২৭) এবং তার মা স্বপ্না মণ্ডল (৫০)-কে এলোপাথাড়ি কোপ মারেন। ঘটনাস্থলেই দু’জনের মৃত্যু হয়। জানা গেছে, তিনদিন আগেই অনন্ত বিশ্বাসের স্ত্রী মারা গিয়েছিলেন। সেই কারণে বাড়িতে এসে উঠেছিলেন ছেলের শাশুড়ি স্বপ্না মণ্ডল। সোমবার ভোরে অনন্ত বিশ্বাসের ছেলে ফুল বিক্রি করতে বেরিয়ে যান এবং ঘরের দরজা খোলা ছিল। সেই সুযোগেই অভিযুক্ত ঘরের ভিতরে ঢুকে এই নৃশংস হামলা চালান বলে অভিযোগ।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়। খবর পেয়ে রাণাঘাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় এবং অভিযুক্ত অনন্ত বিশ্বাসকে আটক করে।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, পারিবারিক অশান্তির জেরেই এই জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রাণাঘাট থানার পুলিশ।
সম্প্রতি ভয়াবহ খুনের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছিল কলকাতায়। সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে দাদাকে খুনের অভিযোগ ভাইয়ের বিরুদ্ধে। নীরজ জয়সওয়ালকে খুনের অভিযোগে ভাই ধীরজ জয়সওয়ালকে গ্রেফতার পার্ক স্ট্রিট থানার। দুই ভাই পার্ক স্ট্রিট এ জে সি বোস রোডের বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার বাবার সম্পত্তি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিবাদ হয়। অভিযোগ নীরজকে ঘুষি মারে ধীরজ। ইটের উপর পড়ে গিয়ে নীরজের মাথায় গুরুতর চোট লাগে, হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। অনিচ্ছাকৃত খুনের ধারায় মামলা করা হয়েছে ধৃতের বিরুদ্ধে।
কিছুদিন আগে শ্যামপুকুরে গৃহবধূকে খুন করে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণের একটি ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। এরপর গৃহবধূ পূজা পুরকায়েতকে হাসপাতালে নিয়ে যায় শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। শরীরে আঁচড়, অস্বাভাবিক মৃত্যু বলে মনে হচ্ছে, পুলিশকে জানিয়েছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তদন্তে নেমে গৃহবধূর শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে , তাঁর স্বামীর হাতে লেখা নোট উদ্ধার করে পুলিশ। ময়নাতদন্তের পর জানা যায় শ্বাসরোধ করে খুন করে হয়েছে গৃহবধূকে। স্ত্রী-র বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক আছে, এই সন্দেহে খুন করা হয়েছে পূজা পুরকায়েতকে, খবর আসে পুলিশ সূত্রে।
বাগবাজারের স্ত্রীকে খুনের পর থানায় গিয়ে আত্মসমর্পন করেন নিহতের স্বামী! পুলিশ সূত্রে দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে নিহতের স্বামী দাবি করেন, সম্প্রতি বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন স্ত্রী। সেই নিয়ে অশান্তি চলছিল তাঁদের মধ্য়ে। শুক্রবার তা চরমে পৌঁছতেই এই ঘটনা ঘটিয়েছিলেন তিনি। পরিকল্পনা ছিল স্ত্রীকে খুনের পর গোটা ঘটনা আত্মহত্য়া বলে ধামাচাপা দেওয়ার। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি!






















