Meghalaya News: ডিপো থেকে গায়েব ৪০০০ টন কয়লা, আদালতে তিরস্কৃত হয়ে মন্ত্রী বললেন, ‘ভেসে বাংলাদেশে চলে গিয়ে থাকতে পারে’
Meghalaya Illegal Coal Mine: মেঘালয়ের রাজাজু এবং দিয়েংনান গ্রামের দু’টি ডিপো থেকে ৪০০০ টনের বেশি কয়লা গায়েব হয়ে গিয়েছে।

নয়াদিল্লি: রাজ্যের দু’টি ডিপো থেকে গায়েব ৪০০০ টন কয়লা। হিসেব দিতে না পারায় হাইকোর্টে তিরস্কৃতও হতে হয়েছে। ওই বিপুল পরিমাণ কয়লা গায়েব হয়ে যাওয়া নিয়ে এবার আজব যুক্তি দিলেন মেঘালয়ের মন্ত্রী। তাঁর দাবি বর্ষার জলে বাংলাদেশ এবং অসমে ভেসে গিয়েছে ওই বিপুল পরিমাণ কয়লা। (Meghalaya News)
মেঘালয়ের রাজাজু এবং দিয়েংনান গ্রামের দু’টি ডিপো থেকে ৪০০০ টনের বেশি কয়লা গায়েব হয়ে গিয়েছে। বেআইনি ভাবে মাটি খুঁড়ে ওই বিপুল পরিমাণ কয়লা উত্তোলন করা হয়েছিল। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিপি কাতাকে নেতৃত্বাধীন কমিটি সেই নিয়ে রিপোর্ট জমা দেয়। জানানো হয়, আগের বার যখন সমীক্ষা হয়, কয়লা মজুত ছিল। কিন্তু এখন আর নেই। ফলে বেআইনি ভাবে ওই কয়লা পাচার করে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। (Meghalaya Illegal Coal Mine)
আইনি হলেও, ওই বিপুল পরিমাণ কয়লা কোথায় গেল, তার সদুত্তর দিতে পারেনি রাজ্যের সরকার। সেই নিয়ে দু’দিন আগে হাইকোর্টে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে রাজ্যের সরকার। বিচারপতি এইচএস থাংখিউয়ের বেঞ্চ রাজ্যকে অবিলম্বে পদক্ষেপ করতে বলে রাজ্যকে। কার গাফিলতিতে ওই বিপুল পরিমাণ কয়লা গায়েব হয়ে গেল, খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।
হাইকোর্টে তিরস্কৃত হওয়ার পর, সোমবার সংবাদমাধ্যমে মুখ খোলেন রাজ্যের মন্ত্রী খিরমেং শাইলা। বেআইনি পাচার নিয়ে একটি কথাও বলেননি তিনি। বরং বর্ষার জলে কয়লা ভেসে গিয়ে থাকতে পারে বলে দাবি করেন। তাঁকে বলতে শোনা যায়, “আমি সাফাই দিচ্ছি না। কিন্তু বুঝতে হবে, মেঘালয়ে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়। অনেক কিছুই ঘটতে পারে। মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টির জেরে বন্যা হয় অসমেও। পূর্ব জয়ন্তিয়া পাহাড় হয়ে সেই জল যায় বাংলাদেশে। হতে পারে জলের সঙ্গে কয়লাও ভেসে গিয়েছে। কে জানে!” দেশের মধ্যে মেঘালয়ে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়, একথা সত্য। কিন্তু তাই বলে ৪০০০ টন কয়লা জলে ভেসে বাংলাদেশ বা অসমে চলে গিয়েছে, একথা মনঃপুত হয়নি কারও।
২০১৪ সালেই মেঘালয়ে কয়লা উত্তোলন এবং পরিবহণ নিষিদ্ধ করে ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল। পরিবেশের কথা মাথা রেখেই এমন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কারণ কয়লাখনিগুলিতে নিরাপত্তার অভাব যেমন ছিল, তেমনই ব্যবস্থাপনার অভাবে পানীয় জল দূষিত হচ্ছিল। কিন্তু তার পরও মেঘালয়ে বেআইনি কয়লা উত্তোলন চলছে বলে ভূরি ভূরি অভিযোগ সামনে এসেছে।






















