এক্সপ্লোর
ধীরে ধীরে শিথিল হচ্ছে কড়াকড়ি, আন্তঃরাজ্য যাতায়াত শুরু হতে পারে চতুর্থ দফা লকডাউনের মধ্যেই
অসমও লকডাউন আরও ২ সপ্তাহ বাড়ানোর অনুরোধ করেছে পাশাপাশি চেয়েছে আর্থিক সাহায্য।

কলকাতা: চতুর্থ দফার লকডাউন শুরুর আগেই আন্তঃরাজ্য যাতায়াতের অনুমতি চেয়ে বেশ কয়েকটি রাজ্য তাদের প্রস্তাব কেন্দ্রে জমা দিল। যে সব জায়গায় করোনা সংক্রমণ ছড়ায়নি, সে সব জায়গায় ঘোরাফেরা সহজতর করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে তারা। পাশাপাশি পর্যটন ও হোটেল শিল্প খোলার আবেদন করেছে যাতে অর্থনৈতিক কাজকর্ম শুরু করা যায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোমবার রাজ্যগুলির কাছে জানতে চান, আগামী দফা লকডাউনের জন্য কী কী নিয়মকানুন আনা যায়। ১৮ তারিখ থেকে শুরু হওয়ার কথা চতুর্থ লকডাউন। মোদি বলেন, আগে যে লকডাউনগুলি হয়েছে, তার থেকে এই লকডাউন আলাদা হতে চলেছে। সম্ভবত এবার কীভাবে মানুষের বাইরে যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করা যাবে তা ঠিক করার দায়িত্ব রাজ্যগুলির হাতে তুলে দেবে কেন্দ্র। জানা গিয়েছে, পঞ্জাব পরামর্শ দিয়েছে করোনা সংক্রমণ অনুযায়ী রাজ্যকে রেড, অরেঞ্জ ও গ্রিন জোনে ভাগ করা বন্ধ হোক। বরং সংক্রমণ যে সব জায়গায় ঘটেনি, সে সব জায়গায় কাজকর্ম পুরোদমে চালু হয়ে যাক। বাস, ট্য়াক্সির মত সব গণপরিবহণ চালু হোক, খুলে যাক দোকানপাট। তবে শপিং মলগুলো আপাতত বন্ধ রাখা হোক। মে মাসের শেষ পর্যন্ত লকডাউন বাড়ানোর পক্ষেও পঞ্জাব সওয়াল করেছে। অসমও লকডাউন আরও ২ সপ্তাহ বাড়ানোর অনুরোধ করেছে পাশাপাশি চেয়েছে আর্থিক সাহায্য। লকডাউনের জেরে রাজ্যে ফিরে আসা শ্রমিককুলের উপার্জনের ব্যবস্থা করা সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছে তারা। উত্তরাখণ্ড সরকার আবার চারধাম যাত্রা শুরুর অনুমতি চেয়েছে। আবেদন করেছে, পর্যটন শুরু করা হোক। পর্যটনই এ রাজ্যের আর্থিক শিরদাঁড়া। ১০০ দিনের কাজ ১০০র বদলে ১৫০ দিন করারও তারা পরামর্শ দিয়েছে। গুজরাত বলেছে, ২ সপ্তাহের পর লকডাউনের পর্যালোচনা জরুরি। কড়াকড়ি শিথিল করলে মানুষ তা কীভাবে নিচ্ছেন ও করোনা সংক্রমণে তার কী প্রভাব পড়ছে তা তখন খতিয়ে দেখা হোক। ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে খোলা হোক বেসরকারি অফিস, দোকানপাট। রিকশা, ট্যাক্সি, বাস ও অন্যান্য পরিবহণের জন্য শিগগিরই গাইডলাইন আনা হবে। তবে বন্ধ থাকবে মাল্টিপ্লেক্স, মল, জিম ও ক্লাবগুলি। মধ্য প্রদেশ ও উত্তর প্রদেশ জানিয়েছে, তাদের মুখ্যমন্ত্রীরা তাঁদের প্রস্তাব কেন্দ্রের কাছে জমা দিয়েছেন, নতুন গাইডলাইনের নোটিস ইস্যু হলে সেই প্রস্তাবের খুঁটিনাটি জানানো হবে। হোটেল ও পর্যটন শিল্প চালুর পক্ষে সওয়াল করেছে গোয়া। ঝাড়খণ্ড জানিয়ে দিয়েছে, অন্যান্য দোকানপাট খোলার অনুমতি দিলেও মদের দোকান তারা বন্ধই রাখবে।
Before You Go
FIFA World Cup 2026 | ফুটবলের মহোৎসবের উন্মাদনা ফুটে উঠল সাদার্ন অ্যাভিনিউয়ের বিবেকানন্দ পার্কের কার্নিভালে

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















