Delivery Rider Mom: ৪ বছরের মেয়ে ক্যানসার আক্রান্ত, পার্সেল বক্সে তাকে নিয়েই ডেলিভারির কাজ মায়ের ! জীবনসংগ্রামের এক ঝলক চোখে জল আনবে
Food Delivery Rider Mom Heart Wrenching Video: ভাইরাল ভিডিয়োর ক্যাপশনে লেখা রয়েছে যে সেই মহিলা তাঁর ৪ বছর বয়সী মেয়ে নুওক্সি যে কিনা ক্যানসারে আক্রান্ত তাঁকে সঙ্গে করে নিয়েই কাজ করেন।

Heart Wrenching Video: নিজের ৪ বছরের ক্যানসার আক্রান্ত মেয়েকে পার্সেল বক্সে নিয়ে ফুড দেলিভারির কাজ করে চলেছেন তাঁর মা, সমাজমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিয়ো দেখে চোখে জল আসবে আপনারও। মাত্র ২৫ বছর বয়স মায়ের আর এই বয়সে মাতৃত্বের তাগিদে তাঁর জীবনসংগ্রামের ছবি প্রভূত মনোযোগ আকর্ষণ করেছে এবং সহানুভূতি আকর্ষণ করেছে নেটিজেনদের। এই ভিডিয়োটি চিনের কোনও এক প্রদেশের আর ভিডিয়োতে দেখতে পাওয়া মায়ের পদবি ঝু বলে জানা গিয়েছে।
ভিডিয়োর ক্যাপশনে লেখা রয়েছে যে সেই মহিলা তাঁর ৪ বছর বয়সী মেয়ে নুওক্সি যে কিনা ক্যানসারে আক্রান্ত তাঁকে সঙ্গে করে নিয়েই কাজ করেন, বাড়িতে আলাদা করে কেয়ারটেকার রাখার সামর্থ্য তাঁর নেই কারণ তাঁর আয়ের প্রায় পুরোটাই চলে যায় শিশুর ক্যানসারের চিকিৎসায়। ভিডিয়োটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সমাজমাধ্যমে।
চিনের আনহুই প্রদেশে ঘটেছে এই ঘটনাটি এবং একজন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার এই ভিডিয়ো রেকর্ড করেছেন। ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহের মধ্যে এক মা তাঁর মেয়েকে ইলেক্ট্রিক সাইকেলের পার্সেল বক্সে করে সঙ্গে নিয়েই বাড়ি বাড়ি খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন। সেই মহিলা জানিয়েছেন যে আজ থেকে ২ বছর আগে তাঁর মেয়ের টিউমর ধরা পড়ে। ইতিমধ্যেই তাঁর মেয়ের ৩ বার অস্ত্রোপচার হয়ে গিয়েছে, এর সঙ্গে ৯টি কেমোথেরাপি, ১২টি রেডিওথেরাপি করানো হয়েছে।
ভিডিয়োটি ইনস্টাগ্রামে @mustsharenews নামের এক ব্যবহারকারী শেয়ার করেছেন। এই পোস্টের ক্যাপশনে লেখা ছিল যে গ্রাহকদের অভিযোগের বিষয়ে সতর্ক ছিলেন, কিন্তু সন্তানের সঙ্গেও প্রতিটি মুহূর্ত কাটাতে চেয়েছিলেন। ২৫ বছর বয়সী মা জানিয়েছেন যে তাঁর শিশুর দেখভাল করার জন্য কাউকে তিনি রাখতে পারবেন না কারণ তাঁর ক্যানসারের চিকিৎসার সমস্ত খরচই তাঁকে বহন করতে হচ্ছে। ঝু নামের এই মহিলা মাঝেমধ্যেই জিনিসপত্র ডেলিভারি দেরিতে দেওয়ার জন্য অভিযোগ পান, কিন্তু তবু তিনি এক অর্থে খুশি যে তিনি মেয়েকে এক মুহূর্তের জন্যও কাছ ছাড়া করেন না।
Instagram-এ এই পোস্টটি দেখুন
জানা গিয়েছে ঝু এবং তাঁর স্বামী গুয়ান (যিনি নিজেও একজন ডেলিভারি রাইডার) দুজনের পক্ষেই তাদের সন্তানের ক্যানসারের খরচ বহন করা কঠিন হয়ে পড়ছিল। তাই ডেলিভারির সময়ে নুওক্সিকে সঙ্গে করেই নিয়ে বেরোন তাঁর মা ঝু। গুয়ান সারাটা দিন কাজের মধ্যে থাকেন তাই তাঁর পক্ষে মেয়ের খেয়াল রাখা সম্ভব হয় না।






















