কম ক্যালোরিযুক্ত খাবার খেতে অনেকেই চিনির বিকল্প হিসেবে গুড় ব্যবহার করে থাকেন। এতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান রয়েছে। একইসঙ্গে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং খনিজ পদার্থ।
2/10
সরাসরি গুড় খাওয়া যায়। অথবা চিনির বিকল্প হিসেবে যে কোনও খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি, গুড় লিভার এবং রক্তকে পরিশ্রুত করে।
3/10
এনার্জি বাড়াতে সাহায্য় করে বাদাম। বিশেষ করে জলে ভিজিয়ে বাদাম খাওয়া যেতে পারে। বাদাম শারীরিকভাবে এবং মানসিকভাবে বিকাশ ঘটাতে সাহয্য করতে পারে।
4/10
মিষ্টি সঙ্গে অথবা জলখাবারে, স্যালাডে বাদাম খাওয়া যেতে পারে। কিছু বাদাম এনার্জি-বুস্টিংয়ের কাজও করে। এটা স্ন্যাক্স হিসেবেও ব্যবহার করা হয়।
5/10
মূলত দক্ষিণ ভারতের খাদ্য রাগি। এতে রয়েছে প্রোটিন। সঙ্গে রয়েছে ভিটামিন C, ভিটামিন B, ভিটামিন E, ক্যালসিয়াম। যা চুল এবং ত্বকের পক্ষে উপকারী।
6/10
এই শস্য নার্ভকে শান্ত রাখতে সাহায্য় করে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুমও হয়। বিভিন্ন উপায়ে এটি খাওয়া যায়। শিশু এবং বয়স্করাও এই শস্য দিয়ে তৈরি বিভিন্ন খাবার খেতে পারেন।
7/10
নারকেলে আছে প্রচুর পরিমাণ পুষ্টি উপাদান। নারকেলের দুধ, জল, তেল দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এতে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম এবং পটাশিয়াম।।
8/10
মানসিক চাপ নির্মূল করতে সাহায্য করে নারকেলের জল।
9/10
ডায়বেটিকদের জন্য উপকারী উপাদান খেজুর। স্বাদে মিষ্টি হলেও, শরীরের পক্ষে উপকারী খেজুর।
10/10
এতে রয়েছে উচ্চ ফাইবার সহ পটাসিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন ফ্ল্যাভোনয়েড, ক্যারোটিনয়েড এবং ফেনোলিক অ্যাসিড সহ।