Written By : ABP Ananda | Updated at : 14 Oct 2023 06:12 PM (IST)
ছবি: পিক্সাবে।
1/10
উপর থেকে কিছু বোঝা না গেলেও, ভূগর্ভে একাধিক পাত সচল অবস্থায় রয়েছে। অর্থাৎ মাটির নীচে এদিক ওদিক ঘোরাঘুরি রয়েছে তাদের। এই ঘোরাঘুরির সময়ই একটি পাত অন্য পাতের উপর উঠে এলে বা মুখোমুখি ধাক্কা খেলে কম্পন অনুভব করেন পৃথিবীবাসী, যাকে বলা হয় ভূমিকম্প।
2/10
কিন্তু ভূগর্ভে এমন পাতের সংখ্যা একটি বা দু’টি নয়, অসংখ্য। কোটি কোটি বছর আগে পৃথিবীপৃষ্ঠ আজকের মতো কঠিন ছিল না। প্রচণ্ড তাপমাত্রায় সবকিছুই ছিল থকথকে। বছরের পর বছর ধরে ঠান্ডা হতে হতে বর্তমান অবস্থায় এসে পৌঁছেছে।
3/10
মাটির নীচে উপরে ভাসমান অবস্থায় রয়েছে কঠিন, প্রস্তর দ্বারা গঠিত বৃহদাকার পাতগুলি। সেগুলি সচল অবস্থায় রয়েছে।
4/10
ছয়ের দশকে পাত সংস্থান তত্ত্ব উঠে আসে, যা মহাদেশ এবং মহাসাগরগুলির অবস্থান, পাহাড়-পর্বতের গঠন, ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাতের সঠিক কারণ নির্ধারণের সহায়ক হয়ে দাঁড়ায়।
5/10
এই পাতের চলন আবার তিন প্রকারের, অপসারী (দু’টি পাতের পরস্পরের থেকে দূরে সরে যাওয়া), অভিসারী (পরস্পরের দিকে এগিয়ে যাওয়া, যা থেকে সংঘর্ষ বাধে) এবং নিরপেক্ষ চলন (পরস্পরকে পাশ কাটিয়ে চলে যাওয়া)। পৃথিবীর গর্ভে এমন পাতের সংখ্যা ঠিক ক’টি, জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
6/10
ভূতত্ত্ববিদদের মতে, প্রাথমিক ভাবে ১২-১৪ পাত রয়েছে। এই এক একটি পাত প্রায় ২ কোটি বর্গ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে বিস্তৃত। এর মধ্যে উত্তর আমেরিকা, আফ্রিকা, ইউরোসীয়, ইন্দো—স্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা, আন্টার্কটিক এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাত উল্লেখযোগ্য।
7/10
এই পাতগুলির মধ্যে সবচেয়ে বৃহত্তম হল প্রশান্তমহাসাগরীয় পাত, যা ১০ কোটি বর্গকিলোমিটার জায়গা জুড়ে বিস্তৃত। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর আমেরিকা পাত, যার বিস্তার ৭ কোটি ৫৯ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে।
8/10
এর পাশাপাশি, তুলনামূলক ভাবে পাঁচটি ছোট পাতও রয়েছে, ফিলিপিন্স সাগর, কোকোজ, নাজকা, আরবীয় এবং হুয়ান ডি ফুশা। আন্তোলিয়ান এবং পূর্ব আফ্রিকা পাতকে আবার গতির নিরিখে একেবারে আলাদা। তার জন্যই পাতের সংখ্যা ১২ থেকে ১৪টি বলে ধরা হয়।
9/10
তবে এখানেই শেষ নয়। অসংখ্যা ক্ষুদ্র পাতও রয়েছে। বৃহদাকার পাতগুলির সীমানায় এমন অসংখ্য ক্ষুদ্র পাত রয়েছে, যাদের সামগ্রিক আয়তন প্রায় ১০ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার। পৃথিবীর বুকে এমন ৫৭টি পাত রয়েছে বলে মত বিজ্ঞানীদের।
10/10
এই পাতগুলির মধ্যে, প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের গতিই সবচেয়ে বেশি বলে মত বিজ্ঞানীদের। প্রতি বছর উত্তর-পশ্চিম অভিমুখে ৭ থেকে ১৯ সেন্টিমিটার করে এগোয়।