SpaceX Rocket Crash on Moon: চাঁদের বুকে আছড়ে পড়বে রকেট, ঘটবে তীব্র বিস্ফোরণ, আর কিছু ক্ষণের মধ্যেই, দেখা যাবে পৃথিবী থেকেও
Rocket Crash on Moon: চাঁদের মাটিতে আছড়ে পড়বে রকেট। আর কিছু ক্ষণের মধ্যেই।

নয়াদিল্লি: আজ চাঁদের মাটিতে আছড়ে পড়বে রকেট। আর কিছু ক্ষণের মধ্যেই চাঁদের বুকে আছড়ে পড়তে চলেছে সেটি। রকেট আছড়ে পড়ার মুহূর্তে ঝলকানি দেখা যাবে পৃথিবী থেকেও। রকেটটি আছড়ে পড়লে চাঁদের বুকে নয়া গহ্বরের সৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। (Rocket Crash on Moon)
ধনকুবের ইলন মাস্কের সংস্থা SpaceX-এর একটি রকেট চাঁদের বুকে আছড়ে পড়তে চলেছে। যে Falcon 9 রকেটের অংশ বিশেষ আছড়ে পড়তে চলেছে সেখানে, সেটি মহাকাশে পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। উত্তর এবং দক্ষিণ আমেরিকায় টেলিস্কোপে চোখে রেখে দেখা যাবে বিস্ফোরণের ফলে সৃষ্ট আলোর ঝলকানি। তবে চাঁদের বায়ুমণ্ডল নেই। তাই আগুনের পরিবর্তে ধুলোর মেঘ তৈরি হবে।(SpaceX Rocket Crash on Moon)
আরও পড়ুন: ক্রকস জুতো ছাড়া চলে না? পায়ের ক্ষতি করছেন, নিজেরও, শিশুরও, সতর্ক করলেন চিকিৎসকরা
ইস্টার্ন টাইম অনুযায়ী, ৫ অগাস্ট বুধবার গভীর রাতে, ২টো বেজে ৩৫ মিনিটে চাঁদের বুকে আছড়ে পড়বে রকেটের অংশ বিশেষ। ভারতীয় সময় অনুযায়ী, দুপুর ১২টা বেজে ৫ মিনিটে। এই মুহূর্তে চাঁদের দিকেই টেলিস্কোপ তাক করে রেখেছেন মহাকাশচারীরা।
Falcon 9 রকেটের যে অংশ চাঁদের বুকে আছড়ে পড়তে চলেছে, আকারে তা ট্রাকের সমান। ২০০৫ সালে দু’টি বেসরকারি ল্যান্ডারকে চাঁদের কক্ষপথে পাঠানো হয়েছিল সেটিকে। তার মধ্যে একটির উপরিভাগের অংশ রয়ে গিয়েছিল। সেটি ‘আইনস্টাইন গহ্বরে’র কাছে, চাঁদের মাটিতে আছড়ে পড়বে বলে চলতি বছরের শুরুতেই জানা যায়। এবার সেই সন্ধি ক্ষণ চলে এল।
এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, চাঁদের মাটিতে আছড়ে পড়ার সময় রকেটের ওই অংশ বিশেষের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ৮৭৪৮ কিলোমিটার। পৃথিবীতে বসে এই গতিবেগ বেশি মনে হলেও, আসলে অনেকটাই কম। চাঁদের বুকে গ্রহাণু আছড়ে পড়ার সময় গতিবেগ এর চেয়ে ছ’গুণ বেশি হয়। রকেটটি আছড়ে পড়ার সময় বিস্ফোরণ ঘটবে। তবে পৃথিবী থেকে শনিকে যেমন দেখায়, তার চেয়ে আলোর ঝলকানির ঔজ্জ্বল্য ২০ ভাগ কম হবে।
বিজ্ঞানীদের অনুমান, রকেটের অংশ বিশেষ আছড়ে পড়ে চাঁদের বুকে যে নতুন গহ্বর তৈরি হবে, তার আয়তন হবে ৯০ ফুটের মতো। গভীরতা হবে ১৬ ফুট। অত ছোট গহ্বর পৃথিবী থেকে দেখা যাবে না। এক সেকেন্ডেরও কম সময়ের জন্য বিস্ফোরণ ফলে সৃষ্ট ঝলকানি দেখা যেতে পারে পৃথিবী থেকে। তবে বিস্ফোরণের ফলে সৃষ্ট ধূলিকণা এবং গ্যাসের মেঘ চন্দ্রপৃষ্ঠে অনেক বেশি সময় স্থায়ী হবে, প্রায় ৪০০ সেকেন্ড বা ৭ মিনিট। টেলিস্কোপের সাহায্য়ে ওই মেঘ দেখা যাবে পৃথিবী থেকে।























