Pak vs UAE: নাটকের পর সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে ৪১ রানে হারাল পাকিস্তান, জায়গা করে নিল সুপার ফোরে
Asia Cup 2025: গ্রুপ এ থেকে ভারতের সঙ্গে সুপার ফোরের যোগ্যতা অর্জন করল পাকিস্তান। মরণ-বাঁচন ম্যাচ জিতে টুর্নামেন্টে বেঁচে রইল পাক সম্ভাবনা।

দুবাই: ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে থেকে নাটক। যখন জানা গেল যে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (PAK vs UAE) মাঠে পৌঁছে গেলেও টিম হোটেল থেকে রওনাই হয়নি পাকিস্তান। আইসিসি-র সঙ্গে যাদের ঠান্ডা লড়াই চরমে। ভারত ম্যাচে হারের ধাক্কা তো ছিলই। পাক শিবিরের যন্ত্রণা বাড়ায় ম্যাচে টসের পর ও ম্যাচ জেতার পর সূর্যকুমার যাদব-সহ অন্য ভারতীয় ক্রিকেটারেরা তাদের সঙ্গে হাত না মেলানোয়। ক্ষোভের মুখে পড়েন ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফ্ট। তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি তোলে পাকিস্তান।
সেই দাবি না মানায় বুধবার হোটেল থেকে মাঠের উদ্দেশে দেরিতে রওনা হয় পাকিস্তান। একটা সময় তারা এশিয়া কাপ খেলবে কি না, তা নিয়েই তৈরি হয়েছিল সংশয়। শেষ পর্যন্ত অবশ্য মাঠে আসে পাক দল। নির্ধারিত সময়ের ১ ঘণ্টা পরে শুরু হয় ম্যাচ। বিতর্কের মুখেও অ্যান্ডি পাইক্রফ্টকেই ম্যাচ রেফারি রাখে আইসিসি। পাক দাবি নস্যাৎ করে।
সেই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই সঈম আয়ুবকে হারিয়ে ধাক্কা খায় পাকিস্তান। একটা সময় ১৬.১ ওভারে ৯৩/৬ হয়ে যায় পাকিস্তানের স্কোর। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বোলারদের, বিশেষ করে জুনেইদ সিদ্দিকি ও সিমরনজিৎ সিংহের বলে বেকায়দায় পড়ে পাকিস্তান। জুনেইদ মাত্র ১৮ রানে নেন ৪ উইকেট। ২৬ রানে তিন উইকেট সিমরনজিতের।
৩৬ বলে ৫০ রান করে পাক ইনিংসকে চানেন ফখর জামান। তাঁর জন্য একশো পেরোয় পাকিস্তানের স্কোর। তবে ম্যাচে ফারাক গড়ে দেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। মাত্র ১৪ বলে ঝোড়ো ব্যাটিং করে ২৯ রানে অপরাজিত ছিলেন আফ্রিদি। তাঁর জন্যই ১৪৬/৯ তোলে পাকিস্তান।
Pakistan pick up a tremendous win and make it to the next stage! ✌️
— AsianCricketCouncil (@ACCMedia1) September 17, 2025
The 🇵🇰 bowlers put up a terrific fight to hold back the opposition & power through to victory!#PAKvUAE #DPWorldAsiaCup2025 #ACC pic.twitter.com/KZHBRrxIgH
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করার পরেও ১০৫ রানে অল আউট হয়ে যায় সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন রাহুল চোপড়া। শাহিন শাহ আফ্রিদি, হ্যারিস রউফ ও আব্রার আমেদ ২টি করে উইকেট নেন। ৪১ রানে ম্যাচ জেতে পাকিস্তান। গ্রুপ এ থেকে ভারতের সঙ্গে সুপার ফোরের যোগ্যতা অর্জন করল পাকিস্তান। মরণ-বাঁচন ম্যাচ জিতে টুর্নামেন্টে বেঁচে রইল পাক সম্ভাবনা।



















