T20 World Cup: হতাশাজনক বিশ্বকাপের পরেই পাকিস্তান দলে অন্তর্কলহ, কোচের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ খেলোয়াড়দের!
Pakistan Cricket Board: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের মোটা টাকার জরিমানা করা হয়েছে বলে খবর।

ইসলামাবাদ: ফের এক আইসিসি টুর্নামেন্ট, আবারও হতাশাজনক পারফরম্যান্স। ভারত ও ইংল্যান্ডের বিরদ্ধে জঘন্য হার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) পর পাকিস্তান ক্রিকেটে শুরু অন্তর্কলহ। দলের ক্রিকেটাররাই নাকি কোচ মাইক হেসেনের (Mike Hesson) বিরুদ্ধে পাকিস্তান বোর্ডে (Pakistan Cricket Board) অভিযোগ করেছেন।
শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ম্যাচের আগেই খবর শোনা যাচ্ছিল যে দলের খারাপ পারফরম্যান্সের জেরে অনেক তারকা ক্রিকেটারেরই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি কেরিয়ারের যবনিকা পতন ঘটতে পারে। শোনা যাচ্ছিল অধিনায়কত্ব হারাতে পারেন পাকিস্তান অধিনায়ক সলমন আলি আঘা। রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে যে খারাপ পারফরম্যান্সের জেরে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের নাকি মোটা টাকা জরিমানাও দিতে হয়েছে। এইসবের মাঝেই আরও এক বড় খবর সামনে এল। Geo Super-র রিপোর্ট অনুযায়ী পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা কোচ মাইক হেসেনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন।
উক্ত রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে যে অনেক ক্রিকেটারই বিশ্বকাপ চলাকালীনই কোচের আচরণ নিয়ে পাকিস্তান বোর্ডকে ব্যক্তিগতভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন। দাবি করা হচ্ছে হেসেন বহু সিদ্ধান্ত নাকি অধিনায়ককে না জানিয়ে নিজেই নিয়েছেন এবং সব বিষয়েই তিনি নাক গলান। পাশাপাশি দাবি করা হচ্ছে কোচের জেদি মনোভাব এবং সিদ্ধান্ত দলের অন্দরমহলকে অশান্ত করে তোলে।
এহেন ঘটনার পরে পাকিস্তান বোর্ড কর্তারা সফরের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই কোচের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনায় বসবেন বলে শোনা যাচ্ছে। সূত্রেরা দাবি করা করছেন হেসেনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচক, অধিনায়কদের কোনও কথাই বলতে দেওয়া হয়নি। পাক দলের প্রধান কোচ দলের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতেই রাখতে বদ্ধপরিকর ছিলেন।
অনেক রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছিল এহেন পরিস্থিতিতে দলের খারাপ পারফরম্যান্সের জেরে মাইক হেসেনে চাকরি যেতে পারে। সেক্ষেত্রে কোচ হিসাবে পাকিস্তানের শেষ আইসিসি ট্রফিজয়ী অধিনায়ক সরফরাজ খানের নাম সামনে আসছে। তবে এই রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে হেসেন সদ্যই পাকিস্তান দলের সঙ্গে কোচ হিসাবে দুই বছরের চুক্তি সই করেছেন। কোচের ভূমিকায় বারংবার বদল না করে স্থিরতা চায় পাকিস্তান বোর্ড। তাই হেসেনকেই দায়িত্বে অব্যাহত রাখা হতে পারে।
সরফরাজ খানকে পাকিস্তান টেস্ট দলের কোচ হিসাবে নিযুক্ত করা হতে পারে। বিগত পাঁচ মাস ধরে পাকিস্তান টেস্ট দলের কোচের পদ খালি রয়েছে। আজহার মাহমুদ এতদিন অন্তর্বতীকালীন কোচ হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তার জায়গায় সরফরাজকে পাকাপাকিভাবে পাকিস্তান টেস্ট দলের কোচ নির্বাচিত করা হতে পারে।




















