IND vs NED: ভারতকে হারাতে ভারতীয়রই সাহায্য নিচ্ছে নেদারল্যান্ডস, ডাচ শিবিরে ডাক পড়ল রঞ্জি অধিনায়কের
T20 World Cup 2026: এখনও পর্যন্ত খাতায় কলমে এই প্রতিবেদন লেখার সময় কিন্তু নেদারল্যান্ডসের বিশ্বকাপের সুপার এইটে পৌঁছনোর সম্ভাবনা রয়েছে।

আমদাবাদ: চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) ইতিমধ্যেই সুপার এইটের সাতটি দল নির্ধারিত হয়ে গিয়েছে। আজ, বুধবারই অষ্টম এবং শেষ দল নির্ধারিত হবে। দৌড়ে এখনও পর্যন্ত পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি নেদারল্যান্ডসেরও খাতায় কলমে সুযোগ রয়েছে। তবে আসন্ন ম্যাচে স্কট এডওয়ার্ডসদের শুধু ভারতকে (India vs Netherlands) হারালেই চলবে না, ম্য়াচ জিততে হবে বিরাট ব্যবধানে। ভারতকে ডাচরা হারালে সেটাই বড় অঘটন হবে, সেখানে বড় ব্যবধানে হারানো তো বেশ কঠিনই মনে হচ্ছে। তবে কার্যত এই অসাধ্য সাধনে প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখছে না ডাচরা।
সাধারণত যে দেশে ম্যাচ খেলা হচ্ছে, সেই দেশের অ্যাসোসিয়েশনের কাছ থেকে অনুশীলনের জন্য নেট বোলারদের অনুরোধ করেই থাকেন দলগুলি। ভারতীয় উপমহাদেশে তো প্রস্তুতি অনেকটা স্পিন খেলাকে কেন্দ্র করেই হয়। তাই ডাক পড়ে স্পিনারদের। ডাচরাও ডাকলেন। তবে অদ্ভুতভাবে কোনও বোলারকে নেটে বল করার জন্য নয়। ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নিজেদের অনুশীলনের জন্য গুজরাত ক্রিকেট সংস্থার কাছে এক ভিন্ন আবেদন রাখে ডাচরা।
নেদারল্যান্ডস ম্যানেজমেন্টের তরফে এক নেট ব্যাটারকে পাঠানোর অনুরোধ করা হয়। তবে যে কোনও নেট ব্যাটার নয়, তাঁকে হতে হবে বাঁ-হাতি। ESPNCricinfo-র রিপোর্টে এমনই দাবি করা হচ্ছে। কিন্তু হঠাৎ এমন আবেদন কেন? আসলে গোটাগুটি ভারতীয় দলকে মাথায় রেখে। ভারতীয় ব্যাটিং অর্ডারে এক দুই নয়, ছয় ছয় বাঁ-হাতি ব্যাটার রয়েছেন। আজকের ম্যাচে অর্শদীপ সিংহ এবং ওয়াশিংটন সুন্দর খেললে সেই সংখ্যা আটে গিয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে অপরদিকে নেদারল্যান্ডসের কোনও টপ অর্ডার বাঁ-হাতি ব্যাটারই নেই। তাই ম্যাচ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ডাচরা এই বাঁ-হাতি নেট ব্যাটারের আবেদন করে।
এখনও রঞ্জি ট্রফি শেষ না হলেও, গুজরাত দলের ঘরোয়া মরশুম শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই তড়িঘড়ি গুজরাত ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন যোগ্য ব্যক্তির খোঁজ শুরু করে। একাধিক ক্রিকেটারের সঙ্গে কথা বলে। শেষমেশ গুজরাতের অধিনায়ক মনন হিংরাজিয়ার খোঁজ পরে। তিনি নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরেই অনুশীলন সারছিলেন। তখনই তাঁকে গুজরাত ক্রিকেট সংস্থার তরফে ফোন করা হয় এবং জানানো হয় তাঁকে সন্ধে ছয়টার মধ্যে মাঠে রিপোর্ট করতে হবে।
প্রাথমিকভাবে গুজরাত অধিনায়ককে কোনও কারণ বলা হয়নি। তিনি তড়িঘড়ি নিজের কিট গুছিয়ে, কোনওরকমে ট্রাফিক এড়িয়ে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আসেন। আসার পর তাঁকে তখনই প্যাড আপ করে নেটে ব্যাট করার জন্য পাঠানো হয়। ২৭ বছর বয়সি ক্রিকেটার পুরনো ও নতুন বলে বহু বল খেলেন। বেশ বড় বড় কয়েকটি ছক্কাও হাঁকান। এবার এই অনুশীলন ডাচদের আদৌ কোনও কাজে দেয় কি না, সেটাই দেখার বিষয় হতে চলেছে।




















