T20 World Cup 2026: কোহলির রেকর্ড ভেঙে চুরমার, পাকিস্তান ছিটকে গেলেও বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়লেন ফারহান
Sahibzada Farhan: শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সুপার এইটের ম্য়াচে ৬০ বলে ১০০ রানের ইনিংস খেলেন শাহিবজাদা ফারহান।

পাল্লেকেলে: মরণ-বাঁচন শনিবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) সেমিফাইনালে পৌঁছতে হলে লঙ্কানদের ৬৫ রানের ব্যবধানে হারাতে হত পাকিস্তানকে (SL vs PAK)। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ম্যাচ জিতলেও, তা আসে কেবল পাঁচ রানের ব্যবধানে। তাই শনিবারই পাকিস্তানের বিশ্বকাপ অভিযান সমাপ্ত হয়ে যায়। অবশ্য দলের হতাশার এই দিনেও ইতিহাস গড়লেন পাকিস্তানের ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান (Sahibzada Farhan)।
শাহিবজাদা ফারহান এবং এই ম্যাচে তাঁর ওপেনিং পার্টনার ফখর জামান মিলে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে এই ম্যাচে দুরন্ত ১৭৬ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। সেই সুবাদেই পাকিস্তান ম্যাচ জয়ের ভিত গড়ে। সেই ম্য়াচেই শাহিবজাদা ফারহান দুরন্ত শতরান হাঁকালেন। আর সেই ইনিংসের সুবাদেই গড়ে ফেললেন বিশ্বরেকর্ড। বিরাট কোহলিকে পিছনে ফেলে এক বিশ্বকাপে সর্বাধিক রানসংগ্রাহক হয়ে গেলেন তিনি।
বিরাট ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে ছয় ইনিংসে ৩১৯ রান করেছিলেন। এতদিন পর্যন্ত কোনও বিশ্বকাপে এটাই কোনও ব্যাটারের সর্বাধিক রান ছিল। তবে ফারহান বিরাটকে পিছনে ফেলে দিলেন। এই বিশ্বকাপে তিনি ৩৮৩ রান করে অভিযান শেষ করলেন। ফারহান এর আগে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে শতরান হাঁকিয়েছিলেন। তারপর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি করলেন। তিনিই প্রথম ব্যাটার হিসাবে এক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ একাধিক শতরান হাঁকালেন। ক্রিস গেলের পর পাকিস্তান ওপেনার ছাড়া আর কোনও ব্যাটারের বিশের বিশ্বকাপে একাধিক শতরান করার কৃতিত্বও নেই। তাই দলের হতাশার দিনেও কিন্তু সকলেই শাহিবজাদা ফারহানকে প্রশংসায় ভরাচ্ছেন।
ম্য়াচের কথা বলতে গেলে। এদিন ফারহানের সেঞ্চুরি এবং ফখর জামানের ৮৪ রানের ইনিংসে ভর করে পাকিস্তান ২১২ রান তুলেছিল বোর্ডে। এক সময় নিরন্তর উইকেট হারিয়ে নিশ্চিত পরাজয়ের দিকে এগোচ্ছিল শ্রীলঙ্কা। তবে দুরন্ত পাল্টা লড়াই শুরু করেন পবন রত্নায়েকে এবং দাসুন শানাকা।
দুইজনে অর্ধশতরানের পার্টনারশিপ গড়েন। রত্নায়েকে ৩২ বলে ব্য়ক্তিহত হাফসেঞ্চুরিও পূরণ করেন। সেমিফাইনালে পৌঁছতে পাকিস্তানকে লঙ্কান দলকে ৬৫ রানে হারাতে হত। তবে রত্নায়েকে ও শানাকা সেই আশায় জল ঢেলে দেন। রত্নায়েকে ৫৮ রানে সাজঘরে ফিরলেও শানাকা লড়াই চালিয়ে যান। শেষ ওভারে ২৮ রান বাকি থাকলেও শানাকা হাল ছাড়েননি। ওভারে শাহিনের প্রথম চার বলে তিনটি ছক্কা এবং একটি চার মারেন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার দর্শকরা অবিশ্বাস্য জয়ের আশা করছিলেন। তবে সেটা হল না।
শাহিনের দুই নিখুঁত ওয়াইড ইয়র্কারকে বাউন্ডারিতে পাঠাতে ব্যর্থ হন শানাকা। তিনি ৭৬ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে অপরাজিত থেকে গেলেও পাঁচ রানে হারতে হয় তাঁর দলকে।




















