The Ashes 2025-26: নায়ক হেড, সিরিজ়সেরা স্টাার্ক অ্যাশেজে সিডনিতেও ইংরেজদের হারাল অস্ট্রেলিয়া
Australia vs England: পাঁচ ম্য়াচের সিরিজ়ে ৪-১ জয় পেল অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল

সিডনি: মাত্র ১১ দিনে অ্যাশেজ (The Ashes 2025-26) খুইয়েছিল ইংল্যান্ড। চতুর্থ টেস্ট জিতে বেন স্টোকসের দল শেষটা ভাল করার আশা দেখিয়েছিল। তবে কোথায় কী। সিডনিতে ফের একবার পঞ্চম টেস্টে পরাজিত হল ইংল্য়ান্ড দল (Australia vs England)। পাঁচ উইকেটে ম্যাচ জিতল স্টিভ স্মিথের দল। জয়ের নায়ক ট্র্যাভিস হেড (Travis Head)।
গত রাতে ইংল্যান্ডের স্কোর ছিল আট উইকেটের বিনিময়ে ৩০২ রান। আজ অলৌকিক কিছু না ঘটলে দেওয়াল লিখন স্পষ্টই ছিল। তবে ইংরেজ সমর্থকরা আশা করেছিলেন দলের তরুণ তুর্কি, সেঞ্চুরিয়ন জেকব বেথেল আজ সকালে দলকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলে লড়াইয়ের রসদ এনে দেবেন। বেথেল ১৫০ রান পার করার পরে আর বেশিদূর এগোতে পারেননি। ইংল্যান্ডও ৩৪২ রানে অল আউট হয়ে যায়। অস্ট্রেলিয়ার সামনে আরও এক টেস্ট জয়ের জন্য ১৬০ রানের লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৬০ রানের লক্ষ্য খুব বড় না হলেও, একেবারেই কমও নয়। এমন পরিস্থিতিতে ইংল্যান্ড বোলারদের থেকে দলের অধিনায়ক শুরুটা ভাল করার আশা করছিলেন। জশ টাংদের বিরুদ্ধে নতুন বলটা বেশ আগ্রাসী মেজাজেই খেলেন দুই অজ়ি ওপেনার ট্র্যাভিড হেড এবং জ্যাক ওয়েদারল্ড। দুইজনে অর্ধশতরানের পার্টনারশিপও গড়েন। তবে টাংয়ের বোলিংয়ে ভর করে পাল্টা আঘাত হানে ইংল্যান্ড। নয় রানের ব্যবধানে দুই ওপেনারকেই ফেরান তিনি। প্রথম বড় শট মারতে গিয়ে ২৯ রানে আউট হন হেড। এরপর বল ছাড়া ও মারার দোনমনের মাঝে টাংয়ের বল ওয়েদারল্ডের ব্যাটে লেগে ফাইন লেগের দিকে উড়ে যায়। ৩৪ রানে আউট হন তিনিও।
প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ন স্মিথও বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকে থাকতে পারেননি। উইল জ্যাকসের বলে তাঁর উইকেট ভাঙে। ১২ রানে ফেরেন অজ়ি অধিনায়ক। এমন পরিস্থিতিতে হোম টাউন হিরো উসমান খাওয়াজা প্রবল জনগর্জণের মাঝে নিজের শেষ টেস্ট খেলতে মাঠে নামেন। তবে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ধস তিনিও আটকাতে পারেননি। তাঁর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির পর সেট লাবুশেন ৩৭ রানে ফেরেন। খাওয়াজা ও নিজেও কেরিয়ারের শেষ টেস্ট ইনিংসে সেই টাংয়ের বলে প্লেড অন হন। আধা অস্ট্রেলিয়ান দল সাজঘরে ফিরে যায়। তখনও জয়ের জন্য ৩৯ রানের প্রয়োজন ছিল বার্মি আর্মি আশায় ছিল। কিন্তু অ্যালেক্স ক্যারি (১৬) ও ক্যামেরন গ্রিন (২২) সেই আশায় জল ঢেলে অপরাজিত ৪০ রানের পার্টনারশিপে দলকে জেতান।
সিরিজ়ে মোট এই টেস্টে নিজের তৃতীয় শতরান হাঁকানো ট্র্যাভিস হেডকে ম্যাচের সেরা ঘোষণা করা হয়। আর তিন বছর আগের মতো আবারও অ্যাশেজ়ের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হন সেই মিচেল স্টার্ক। তিনি সিরিজ়ে মোট ৩১টি উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ১৫৬ রানও করেছেন।




















