Suryakumar Yadav: তোমাদের হারাতে গেলে আর কত রান করতে হবে? ফাইনালে উঠে ব্রুককে বললেন সূর্যকুমার
India vs England T20 World Cup 2026 semifinal: একটা সময় মনে করা হয়েছিল হাসতে হাসতে জিতবে ভারত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৭ রানে রুদ্ধশ্বাস জয়

মুম্বই: একটা সময় মনে করা হয়েছিল হাসতে হাসতে জিতবে ভারত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৭ রানে রুদ্ধশ্বাস জয়। টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে স্বস্তি অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের। বিভিন্ন বিষয়ে কথা বললেন স্কাই
ফাইনালে ওঠার অনুভূতি
অবিশ্বাস্য অনুভূতি। ভারতের মাটিতে খেলা, এরকম অসাধারণ একটা দলকে নেতৃত্ব দেওয়া, দেশে বিশ্বকাপ খেলা, আমদাবাদে ফাইনালে খেলতে যাচ্ছি। আমার মনে হয় দলের ছেলেদের কাছে এটা বিশেষ এক অনুভূতি।
সঞ্জুর ইনিংস
সঞ্জু স্যামসন ব্যাট করতে নামার সময়ই জানত ও কী করতে চায়। এমনকী, একটা উইকেট পড়ার পরেও ও জানত পিচটা ভাল। তাই আক্রমণাত্মক খেলে গিয়েছে। যেভাবে ও ব্যাট করেছে, ঠিক দলের সেটাই প্রয়োজন ছিল। গত কয়েক বছরে যা পরিশ্রম করেছে, তাতে এই ফল প্রাপ্য ছিল। আজকের ইনিংসটা স্পেশ্যাল।
হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচ প্রসঙ্গে
হে ভগবান। আমি তো হ্যারি ব্রুককে বললাম তোমাদের হারাতে গেলে আর কত রান করতে হবে? তবে সত্যি উইকেটটা দারুণ ছিল। ওরা যেভাবে ব্যাটিং করেছে, ওদের কৃতিত্ব কেড়ে নিতে চাই না। ওরা সব সময়ই ম্যাচে ছিল। রান তাড়া করে চাপে রেখেছিল।
বুম বুম বুমরা
যেভাবে যশপ্রীত বুমরা, অর্শদীপ সিংহ ও অন্যান্য বোলাররা বল করেছে আর ম্যাচে ফিরিয়েছে অবিশ্বাস্য। যশপ্রীত বুমরা ভারতের জন্য বছরের পর বছর ধরে কী করেছে সকলেই জানি। আজ আবারও সেটাই করল। নিজের দায়িত্ব পালন করল আর ম্যাচটা ওদের হাত থেকে ছিনিয়ে আনল। স্পেশ্যাল বোলিং।
ফিল্ডিং
আজ আমাদের ক্যাচিং দারুণ হয়েছে আর তার জন্য ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপকে কৃতিত্ব দিতে হবে। যেভাবে প্র্যাক্টিস করিয়েছেন, মজা আর প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে দিয়ে, ছেলেরাও নিজেদের নিংড়ে দিয়েছে। ব্যক্তিগত ট্রেনিং হয়ে গেলেও দলের জন্য বাড়তি পরিশ্রম করেছে। তারই প্রতিফল পড়ছে মাঠে।
ব্যাটিং অর্ডার
আমাদের দলে তিন নম্বর পর্যন্ত ব্যাটিং অর্ডার পূর্বনির্ধারিত। তারপর বাঁহাতি-ডানহাতি কম্বিনেশন ভেবে ক্রিকেটার নামানো হয়। শিবম দুবেকে ওপরে পাঠানো সেই কারণেই। আমরা কিছু বদলাতে চাইনি। তবে যখন দেখলাম একটা প্রান্ত থেকে রশিদ বল করছে, দুবে যোগ্য জবাব ছিল। আমি আগের ম্যাচে ৫০ কিংবা ১০০ যাই করি না কেন, দলের যদি ব্য়াটিং অর্ডারে পরিবর্তন দরকার হয় সেটা করব।
স্নায়ুর চাপ
খুব স্নায়ুর চাপে ছিলাম। কেউ যদি হৃদস্পন্দন মাপত, ১৬০-১৭৫ পেতই। তবে এটা খেলার অঙ্গ। দারুণ সেমিফাইনাল হয়েছে। ফাইনালে উঠে আমরা খুশি।
জনসমর্থন
আমরা ওয়ার্ম আপ করার সময়ই মাঠের ৭৫-৮০ শতাংশ ভরে গিয়েছিল। সেটা থেকেই বোঝা যায় সকলে ভারতের জয়ের জন্য কতটা আগ্রহী ছিলেন। আমরা প্রথমে ব্যাটিং করলেও ওঁরা খুশি ছিলেন।




















