Erling Haaland: এক-দুটো নয়, চারটে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের মালিক, নজির গড়লেন আর্লিং হালান্ড
Eriling Haaland Record: বয়স মাত্র ২৬। কিন্তু এই বয়সেই ক্লাব ফুটবল ও আন্তর্জাতিক ফুটবলে যে পারফরম্য়ান্স দেখিয়েছেন হালান্ড, তা সত্যিই প্রশংসীয়।

লন্ডন: মাঠে নামলেই গোল করতে ওস্তাদ তিনি। ২৮ বছর পর দেশকে বিশ্বকাপের মঞ্চে নিয়ে গিয়েছিলেন। দল হিসেবে নরওয়ে যেমন নজর কেড়েছে, তেমনই মাঠে প্রতি ম্য়াচেই গোল করে গিয়েছেন আর্লিং হালান্ড। এবার গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডও গড়লেন নরওয়ের এই তরুণ স্ট্রাইকার। একটি-দুটো নয়, হালান্ড জিতে নিলেন চারটি সার্টিফিকেট। এক নজরে দেখে নেওয়ার যাক হালান্ডের নজিরের গল্প-
১. প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে দ্রুততম ১০০ গোল করার মালিক এখন আর্লিং হালান্ড। এই লিগে মাত্র ১১১ ম্য়াচ খেলেই ১০০ গোলের মালিক হয়ে গিয়েছেন নরওয়ের স্ট্রাইকার।
২. এক প্রিমিয়ার লিগ মরশুমে সর্বোচ্চ গোলদাতার নামও আর্লিং হালান্ড। ২০২২-২৩ মরশুমে মোট ৩৮ ম্য়াচ খেলে একাই ৩৬ গোল করেছিলেন। প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে এক মরশুমে যে কোনও ফুটবলারের জন্য সর্বোচ্চ গোলের সংখ্য়া এটি।
৩. উয়েফা নেশন্স লিগে সর্বকালের সেরা গোলস্কোরার এখন হালান্ড। তিনি নরওয়ে জাতীয় দলের হয়ে উয়েফা নেশন্স লিগে ১৯টি গোল করে টুর্নামেন্টের সর্বকালের সেরা গোলদাতার রেকর্ড গড়েছেন।
৪. চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এক ম্য়াচে সর্বাধিক গোল করার নজিরও গড়েছেন হালান্ড। ২০২৩ মরশুমে আরবি লাইপজিগের বিরুদ্ধে ম্যাঞ্চেস্টার সিটির হয়ে খেলতে নেমে একাই পাঁচটি গোল করেন হালান্ড। লিওনেল মেসি ও লুইজ আদ্রিয়ানোর সঙ্গে এই রেকর্ড গড়েন হালান্ড।
View this post on Instagram
বয়স মাত্র ২৬। কিন্তু এই বয়সেই ক্লাব ফুটবল ও আন্তর্জাতিক ফুটবলে যে পারফরম্য়ান্স দেখিয়েছেন হালান্ড, তা সত্যিই প্রশংসীয়। শারীরিক শক্তি, ফিনিশিংয়ের ক্ষমতা, দৌড়, গতি সবকিছুতেই কমপ্লিট ফুটবলার হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলেছেন নরওয়ের এই স্ট্রাইকার। গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ তাঁদের ফুটবল এডিশনের কভারেও আর্লিং হালান্ডের ছবিই রেখেছে।
গত ফুটবল বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়েছিল নরওয়ে। হালান্ডের দেশ কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল। বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল নরওয়ে শিবির। কিন্তু শক্তিশালী ইংল্যান্ড শিবিরের কাছে শেষ পর্যন্ত হেরে ছিটকে যেতে হয়েছে বিশ্বকাপের দৌড় থেকে। স্বপ্ন ভঙ্গ, বুকে যন্ত্রণা নিয়েও হালান্ডদের লড়াইয়কে কুর্নিশ জানিয়েছেন সে দেশের ফুটবলপ্রেমী মানুষ। তাই হালান্ডরা দেশে ফিরতেই রাস্তায় নেমে তাঁদের স্বাগত জানালেন প্রায় ১০০০০০ মানুষ।






















