Meta Policy: ১৬ বছরের কম বয়সীরা ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে করতে পারবে না এই কাজ, নয়া নিয়ম আনল মেটা
Teen Accounts: মেটার এই সিদ্ধান্ত প্রণয়ন এমন সময়ে হয়েছে যখন মার্কিন আইনপ্রণেতারা ইতিমধ্যেই কিডস অনলাইন সেফটি অ্যাক্ট (KOSA)-র মত আইন এনেছে দেশে।

Teen Accounts: মেটা সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামের মত ফেসবুক প্ল্যাটফর্মেও 'টিন অ্যাকাউন্টস'-এর ফিচার্স নিয়ে আসছে। মেটার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল যে এই প্ল্যাটফর্মে (Meta Policy) বিধিনিষেধের অভাবের কারণে তরুণ কিশোর ব্যবহারকারীদের অনলাইন অপরাধের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। এমনকী মেটাও এই বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ করছে না। এই ফিচার্সটি প্রথমে চালু করা হয়েছিল ইনস্টাগ্রাম অ্যাপে, ক্রমে অন্য সমস্ত প্ল্যাটফর্মেও (Teen Accounts) এই পদক্ষেপ করছে মেটা। এর মধ্যে রয়েছে উন্নত গোপনীয়তা এবং সুরক্ষার সেটিংস এবং প্যারেন্টাল কনট্রোল যাতে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের সমাজমাধ্যমের সমস্ত কার্যকলাপের উপর পর্যবেক্ষণ করতে এবং নজর রাখতে পারেন।
কেন গুরুত্বপূর্ণ এই সিদ্ধান্ত
মেটার এই সিদ্ধান্ত প্রণয়ন এমন সময়ে হয়েছে যখন মার্কিন আইনপ্রণেতারা ইতিমধ্যেই কিডস অনলাইন সেফটি অ্যাক্ট (KOSA)-র মত আইন এনেছে দেশে। এই আইনের বাস্তুবায়নে কর্তৃপক্ষ খুবই সক্রিয় যাতে শিশু-কিশোরদের সমাজমাধ্যমের ক্ষতি থেকে রক্ষা করা যায়। মেটার পাশাপাশি টিকটক (বাইটড্যান্স), ইউটিউব (গুগল)-এর মত প্ল্যাটফর্মগুলিও শিশু-কিশোরদের মধ্যে সমাজমাধ্যমে আসক্তির বিষয়ে শত শত মামলার সম্মুখীন হচ্ছে।
তথ্য অনুসারে, ২০২৩ সালে ক্যালিফোর্নিয়া এবং নিউ ইয়র্ক সহ ৩৩টি মার্কিন রাজ্য মেটার বিরুদ্ধে মামলা করেছিল যেখানে অভিযোগ ছিল যে মেটার নিজস্ব নীতির কারণে এই প্ল্যাটফর্মগুলির বিপজ্জনক প্রকৃতি মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।
মেটা কী জানিয়েছে
মেটা তাদের নতুন নীতিতে জানিয়েছে যে ১৬ বছর বা তার কম বয়সী ব্যবহারকারীরা আর ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে লাইভে আসতে পারবে না। লাইভে আসার জন্য অভিভাবকের অনুমতি নিতে হবে। যদি কোনও কিশোর ব্যবহারকারীর সরাসরি বার্তায় কোনও নগ্ন ছবি পাওয়া যায় তাহলে সংস্থার পক্ষ থেকে তা সঙ্গে সঙ্গে ঝাপসা করে দেওয়া হবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে।
কয়েক মাসের মধ্যে কার্যকর করা হবে এই নিয়ম
২০২৪ সালের জুলাই মাসে মার্কিন সিনেট দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল অনুমোদন করে, যার মধ্যে রয়েছে KOSA এবং শিশু ও কিশোরদের অনলাইন গোপনীয়তা সুরক্ষা আইন। এই দুটি আইনই শিশু, কিশোর-কিশোরীদের উপর তাদের প্ল্যাটফর্মের প্রভাবের জন্য সমাজমাধ্যমকেই দায়ী করে এবং সেই জন্য সেখানে নিরাপত্তা বেষ্টনী কঠোর করার চেষ্টা করে।
তবে রিপাবলিকান নেতৃত্বাধীন হাউজ গত বছর KOSA-তে ভোট দেয়নি, সাম্প্রতিক শুনানিতে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে মেটা এখনো অনলাইনে শিশুদের সুরক্ষার জন্য নতুন আইন প্রণয়নের পক্ষে রয়েছে।






















