NRC Notice: ফের কোচবিহারের এক বাসিন্দাকে NRC-র নোটিস পাঠাল অসম সরকার
ABP Ananda LIVE: এই নিয়ে রাজ্যে চতুর্থবার। ফের কোচবিহারের এক বাসিন্দাকে NRC-র নোটিস পাঠাল অসম সরকার। উত্তমকুমার ব্রজবাসী, অঞ্জলি শীল, নিশিকান্ত দাসের পর এবার অসম সরকারের থেকে NRC-র নোটিস পেলেন মোমিনা বিবি। তবে এবারই প্রথম নয়, গত বছর সেপ্টেম্বর মাস থেকে তিন তিনবার তাঁকে নোটিস পাঠিয়েছে অসম সরকার। আর গতকাল, তাঁর বাড়িতে গিয়ে সোজা আদালতে গিয়ে হাজিরা দেওয়ার কথা বলে এসেছে পুলিশ। যিনি অসম থেকে প্রায় ৪০ বছর আগে চলে এসেছেন, তাঁকে NRC-র নোটিস পাঠায় কী করে? প্রশ্ন তুলল তৃণমূল। পাল্টা বিজেপির প্রশ্ন, বৈধ নথি থাকলে জমা দিচ্ছেন না কেন NRC-র নোটিসপ্রাপ্ত তুফানগঞ্জের ওই মহিলা?
ভোটার তালিকা নিয়ে তৃণমূলনেত্রীর অবস্থান বদল
দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন। এরইমধ্য়ে এই প্রক্রিয়ার তীব্র বিরোধিতা করে নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বলেছেন, নির্বাচন কমিশনে বিজেপির লোক ভরে গিয়েছে। বেছে বেছে ওরা ভোটার তালিকা থেকে নাম কেটে দিচ্ছে। এর বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন করব। দরকার হলে দিল্লিতে গিয়েও আন্দোলন করা হবে। পাল্টা বিজেপি বিরোধীরা মনে করিয়ে দিচ্ছে, এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই তো বিরোধী আসনে থাকাকালীন বারবার ভোটার তালিকায় অস্বচ্ছতার অভিযোগ করতেন! ভুতুড়ে ভোটার বাদ দেওয়ার দাবি জানাতেন! সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্রের দাবিতে ১৯৯৩ সালের একুশে জুলাইয়ের আন্দোলন ঘিরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তাতে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের নেতৃত্বাধীন তৎকালীন যুব কংগ্রেসের ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তাহলে আজ ক্ষমতায় থাকাকালীন সেই মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ই ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনের বিরোধিতা করছেন কেন? রসঙ্গ তুলে ধরছে। বাম আমলে এই অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধেই সরব হয়ে, ২০০৫ সালে লোকসভার স্পিকারের আসন লক্ষ্য করে কাগজ ছুড়ে দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। নানা মহলে প্রশ্ন উঠছে, বিরোধী থেকে শাসক হয়েই কি মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের অবস্থান পাল্টে গেল?


















