Barisha : ঐতিহ্যের পথ ধরে আজও ঘুরছে রথের চাকা, বড়িশা সর্বজনীনের রথযাত্রা এবছর পা দিল ৩০৭ বছরে
ABP Ananda LIVE : ঐতিহ্যের পথ ধরে আজও ঘুরছে রথের চাকা, বড়িশা সর্বজনীনের রথয়াত্রা এবার পা দিল ৩০৭ বছরে। জগন্নাথ দেবের মাসির বাড়ি বেহালালর চৌরাস্তা। সেখান থেকে দুই ভাই জগন্নাথ, বলরাম ও বোন সুভদ্রাকে আনা হয় । পুজোপাঠের পর ৩ বিগ্রহকে আনা হয় রথে। রথযাত্রা উৎসবে স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে যোগদান করেন ফিরহাদ হাকিমও। এই রথযাত্রার সঙ্গে জড়িয়ে ৩০০ বছরের ইতিহাস। রায়কৃষ্ণদেব এই রথযাত্রার প্রচলন করেন সর্বপ্রথম ১৭১৯ সালে,১৯১১ সালে শখের বাজারে নির্মান হয় জগন্নাথ মন্দির। প্রতিষ্ঠিত হয় জগন্নাথ,বলরাম ও সুভদ্রার মূর্তি। রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর জনস্রোতে ভাসে এলাকা । জয় জগন্নাথ ধ্বনিতে ৩০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মুখরিত হয় বড়িশার রাজপথ।
দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রথম রথযাত্রা, রশি টেনে সূচনা মুখ্যমন্ত্রীর
প্রথমবার দিঘার রথের রশিতে পড়ল টান। গতকাল রাতেই রথগুলি মন্দির চত্বর থেকে বের করে রাস্তায় এনে রাখা হয়। এদিন এই রথগুলিতে স্থাপন করা হয় জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রার নিমকাঠের তৈরি বিগ্রহ ও সুদর্শন চক্র।মন্দিরেই রয়েছে পাথরের তৈরি মূর্তিগুলি। সকাল সাড়ে নটা থেকেই শুরু হয় পুজোপাঠ। দুপুর দুটো থেকে চলবে আরতি। দুপুর আড়াইটে নাগাদ দিঘার মন্দির থেকে গড়ায় রথের চাকা।তার আগে সোনার ঝাড়ু দিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করেন মুখ্যমন্ত্রী। রথে চড়ে এক কিলোমিটার দূরে মাসির বাড়িতে যান জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা।রথযাত্রা আগে দিঘা-পুরী নিয়ে চরমে ওঠে সংঘাত। এদিন ফেসবুকে রথযাত্রার ছবি পোস্ট করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই পোস্টে সবার জন্য শুভকামনা করেন তিনি।



















