Dilip Ghosh: 'যা দেশবিরোধাী গতিবিধি হবে তা বাংলার সঙ্গে জুড়ে যাবে, এটা কেন হয়?'মন্তব্য দিলীপের
ABP Ananda Live: 'যখনই সারা ভারতবর্ষে এরকম দেশবিরোধী গতিবিধির ওপর লাগাম লাগানোর চেষ্টা করে সরকার তারা পালিয়ে পশ্চিমবঙ্গে চলে আসে। পাঞ্জাবের গ্যাংস্টার থেকে মণিপুরের উগ্রপন্থী নেতা সব এখানেই পাওয়া যায়। বাংলা থেকে আধারকার্ড বানিয়ে অন্য রাজ্যে গিয়ে লুঠপাট করছে। যা দেশবিরোধাী গতিবিধি হবে তা বাংলার সঙ্গে জুড়ে যাবে। এটা কেন হয়? এখানকার সরকার এই ধরনের দেশবিরোধী শক্তিকে প্রশ্রয় দেয়। তাই সবাই এখানে চলে আসে'। মন্তব্য দিলীপের।
মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফরের মধ্যেই বিজেপি বিধায়কের বিভাজন সওয়াল!
যার মুখে এযাবৎকাল পৃথক রাজ্যের কথা শোনা গিয়েছিল, সেই জন বার্লাই এখন বিজেপি ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে। যদিও তৃণমূলের পাল্লা ভারী হলেও, মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফরের মাঝেই ফের সেই পৃথক উত্তরবঙ্গের সওয়াল? এদিকে আজই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বলেছেন, 'উত্তরবঙ্গে অনেক উন্নয়ন হয়েছে।' যদিও মানতে নারাজ বিজেপি বিধায়ক। উত্তরবঙ্গবাসীর অবহেলার কথা শুনতে গিয়ে, একথা বলতে গিয়ে পৃথক রাজ্যের কথা বলতে শোনা গেল শঙ্করের মুখে। তবে পাশাপাশি তিনি এটাও জানিয়েছেন, এমন দাবি অনেকেরই রয়েছে। তবে তাঁরা 'অখণ্ড বাংলা'-র পক্ষে।একটা সময় জন বার্লার এই পৃথক রাজ্যের দাবি তোলাতে কম হইচই হয়নি। একুশ সালের আশেপাশে এনিয়ে রীতিমত জলঘোলা হয় দলের অন্দরে ও বাইরে। এমনকি সেসময় অশান্তি মেটাতে তৎকালীন রাজ্যপাল উত্তরবঙ্গ সফরেও গিয়েছিলেন। হয়েছিল বৈঠক। রাজ্যের শাসকদলের রোষের মুখে পড়তে হয়েছিল সৌমিত্র খাঁ এবং এই জন বার্লাকেই। তবে জন বার্লার ফুল বদল হলেও সেই ছায়া সরেনি। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফরের দিন তাই ফের পুরনো ইস্যু দিল নাড়াচাড়া। এদিন ফের বিজেপি বিধায়কের বিভাজন সওয়াল!'আলাদা রাজ্য হোক উত্তরবঙ্গ, এটা অনেকেই চায়, এটা বাস্তব একে অস্বীকার করার জায়গা নেই, কিন্তু আমরা অখণ্ড বাংলার পক্ষে।' পৃথক উত্তরবঙ্গের বিতর্ক উস্কে এবার সরব আরেক বিজেপি বিধায়ক।



















