Mamata Banerjee: 'রাজ্য সরকারের উপর ভরসা রাখা উচিত ছিল', মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর।
ABP Ananda Live: বিকাশ ভবনের সামনে চাকরিহারাদের ধর্নার আজ ১৩ দিন, জারি রয়েছে আন্দোলন। এর মধ্যেই মার খাওয়া শিক্ষকদের নামে থানায় হাজিরার নোটিস এসেছে। হাজিরা না দিলে গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। আজ ও বুধবার, আন্দোলনরত শিক্ষকদের বিধাননগর উত্তর থানায় হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ। হাজিরা দেওয়া নিয়ে আইনি পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে বলে চাকরিহারারা জানিয়েছেন। চাকরি ফেরত চাইতে গিয়ে জুটেছে পুলিশের লাথি-লাঠি। রক্ত ঝরা সত্ত্বেও উল্টে শিক্ষকদের নামেই জামিন অযোগ্য ধারা-সহ ১৫টি ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এই আবহে চাকরিহারাদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, "আমি আন্দোলনের বিপক্ষে নই। কিন্তু, আন্দোলন করারও একটা লক্ষ্মণরেখা আছে। আমার যেমন অধিকার নেই কাউকে বাধা দেওয়ার। অন্যেরও অধিকার নেই আমাকে বাধা দেওয়ার।" পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, "আমি তো বলব, আপনারা এখানে না করে আইনে লড়াই করুন। আমরা পুরো সাহায্য করব। আমরা নিজেরাও তো করছি। সাধ্যমতো করছি।"
'সন্ত্রাসবাদদমনে কেন্দ্রের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ তৃণমূলের' তবু কেন প্রতিনিধি দলে থাকছেন না ইউসুফ? স্পষ্ট করলেন অভিষেক
পহেলগাঁওকাণ্ড এবং অপারেশন সিঁদুরের পর সন্ত্রাসবাদের বিষয়ে ভারতের জিরো টলারেন্স নীতি এবং পাকিস্তানের মদতদাতার ভূমিকা তুলে ধরতে বিশ্বের দরবারে সর্বদলীয় প্রতিনিধিদল পাঠাচ্ছে মোদি সরকার। আর তাতে রয়েছেন বিজেপি ও সরকারের শরিক দল ছাড়াও বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা। কিন্তু ইউসুফ পাঠান-সহ কোনও সাংসদকেই না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল। কেন ? পরিষ্কার করে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
JDU-র সঞ্জয়কুমার ঝায়ের নেতৃত্বাধীন দলে তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠানের নাম ছিল। তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, তারা দেশের এবং জাতীয় স্বার্থরক্ষায় কেন্দ্রীয় সরকারের পাশে রয়েছে। কিন্তু তিনি যাচ্ছেন না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, প্রতিনিধিদল পাঠানো নিয়ে তৃণমূলের কোনও আপত্তি নেই, কিন্তু দলের তরফে কারা প্রতিনিধিত্ব করবেন, তা নিয়ে তৃণমূলই সিদ্ধান্ত নেবে। বিদেশ নীতি একান্তভাবেই কেন্দ্রের বিষয় এবং এটা পরিচালনা করা সম্পূর্ণ ভাবে তাদেরই দায়িত্ব।


















