Kolkata News: ধৃত আইনের ছাত্রীর অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন মঞ্জুর করল কলকাতা হাইকোর্ট
ABP Ananda Live: অপারেশন সিঁদুরের আবহে সামাজিক মাধ্যমে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে ধৃত শর্মিষ্ঠা পানোলির জামিন মঞ্জুর। ধৃত আইনের ছাত্রীর অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন মঞ্জুর করল কলকাতা হাইকোর্ট। গুরুগ্রাম থেকে গ্রেফতার হওয়া শর্মিষ্ঠা পানোলির জামিনের আবেদন মঞ্জুর। ১০ হাজার টাকার বন্ডে জামিন মঞ্জুর করল আদালত। তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে, নির্দেশ আদালতের। 'আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশ ছাড়তে পারবেন না শর্মিষ্ঠা'। শিক্ষাগত কারণে দেশের বাইরে যেতে হলে নিম্ন আদালতকে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে, নির্দেশ আদালতের। র্মিষ্ঠাকে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা দিতে হবে, নির্দেশ আদালতের। হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের কোনও প্রয়োজন নেই, পর্যবেক্ষণ আদালতের। 'যে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল সেটা যান্ত্রিকভাবে করা হয়েছিল'। 'সেখানে শুধুমাত্র গ্রেফতার করার অধিকার দেওয়া হয়েছিল, গ্রেফতার করতে হবে বলা হয়নি'। ধর্তব্যযোগ্য অপরাধ আছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা দরকার ছিল, মন্তব্য বিচারপতির। নির্দিষ্টভাবে কী মন্তব্য করেছিলেন শর্মিষ্ঠা সেটা অভিযোগপত্রে বলা নেই, মন্তব্য বিচারপতির। যখন নোটিস দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছিল তখন শর্মিষ্ঠা কলকাতায় ছিলেন না, পর্যবেক্ষণ বিচারপতির।
কুকথা কাণ্ডে অবশেষে হাজিরা, বোলপুর SDPO অফিসে অনুব্রত মণ্ডল
SDPO অফিসে হাজির হলেন অনুব্রত মণ্ডল। বোলপুর থানার আইসিকে কদর্য ভাষায় হুমকি দেওয়ার ঘটনায় অনুব্রত মণ্ডলকে দু'বার তলব করে পুলিশ। অসুস্থতার কথা বলে দু'বারই হাজিরা এড়িয়েছেন তিনি। কুকথা কাণ্ডের ৭ দিন পর হাজিরা দিলেন কেষ্ট।
IC-কে এই কদর্য ভাষায় হুমকি দিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। অনুব্রত মণ্ডলকে গত শনি ও রবিবার তলব করেছিল পুলিশ। কিন্তু, অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সেখানে যাননি তিনি। অথচ, শনিবারই দিব্য়ি তৃণমূলের পার্টি অফিসে পৌঁছে গেছিলেন তিনি। ঘটনার ৭ দিন পর অবশেষে বীরভূমের SDPO অফিসে হাজিরা দিলেন কেষ্ট। এদিন বেলা ৩টে ২৫ মিনিট নাগাদ SDPO অফিসে পৌঁছন তিনি। শুরু হয়েছে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া। অনুব্রত পৌঁছানোর আগে থেকেই কড়া নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয় SDPO অফিস চত্বর। সূত্রের খবর, এদিন তিনি নিজেই পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে, সেখানে চলে আসেন। তবে যে পাইলট কার তিনি ব্যবহার করেন সেই গাড়িতে তিনি আসেননি। সবার চোখ এড়িয়ে এদিন অফিসে প্রবেশ করেন তিনি। SDPO অফিসের ভেতরে রয়েছে শান্তিনিকেতন থানা। পুলিশ লাইনের গেট দিয়ে শান্তিনিকেতন থানার পাশ দিয়ে গিয়ে প্রবেশ করেন SDPO অফিসে। অর্থাৎ মূল গেট নয়, পিছনের গেট দিয়ে এদিন তিনি প্রবেশ করেন।


















