KolkataNews:রাস্তায় বেপরোয়া গাড়ি চালানো নিয়ে কলকাতা পুলিশের জিরো টলারেন্স:কলকাতা পুলিশের DC ট্রাফিক
ABP Ananda Live: সাংবাদিক বৈঠকে কলকাতা পুলিশের ডিসি ট্রাফিক ওয়াই শ্রীকান্ত। 'পাসপোর্ট অফিসে যেতে হলে এই লেনে যাওয়ার কথা নয়'। 'ডান দিকে বাঁক নিচ্ছিল সেনার ট্রাক, ওখানে ডান দিকে বাঁক নেওয়া নিষিদ্ধ'। 'হেয়ার স্ট্রিট থানার পক্ষ থেকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে'। 'কলকাতা শহরে বেপরোয়া গাড়ি চালানো বরদাস্ত করা হবে না'। 'রাস্তায় বেপরোয়া গাড়ি চালানো নিয়ে কলকাতা পুলিশের জিরো টলারেন্স'। 'দুর্ঘটনাস্থলে কোনও রাইট টার্ন সিগন্যাল নেই'। 'নো রাইট টার্ন বোর্ডও দেওয়া আছে'। 'এটা লেন ভায়োলেশন, বেপরোয়া গাড়ি চালানোর ঘটনা'। 'এটা আর পাঁচটা ট্রাফিক আইন ভাঙার মতো ঘটনা'। 'আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে হেয়ার স্ট্রিট থানা'। 'ফোর্ট উইলিয়ামের সঙ্গে আমার কথা হয়নি'। 'থানার সঙ্গে ফোর্ট উইলিয়ামের আধিকারিকদের কথা হয়েছে'।
'বাংলার যন্ত্রণার কথা বলা কি অপরাধ?', 'দ্য বেঙ্গল ফাইলস' রিলিজ নিয়ে এবার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা বিবেক অগ্নিহোত্রীর
পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রীর 'দ্য বেঙ্গল ফাইলস'-এর ট্রেলার লঞ্চ ঘিরে গত ১৬ অগাস্ট তুলকালাম বাধে ITC রয়্যাল বেঙ্গল হোটেলে। তাই নিয়েই এবার শুরু হয় রাজনীতির চাপানউতোর! একদিকে পরিচালকের পাশে দাঁড়িয়েছে বিজেপি। তৃণমূল আবার এই সিনেমাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং মানুষে মানুষে বিভেদ বাড়ানোর চেষ্টা হিসেবেই দেখছে। আর তাই ঘিরে 'দ্য বেঙ্গল ফাইলস' নিয়ে বাংলাতেই তুঙ্গে তরজা। এই পরিস্থিতিতে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে ভিডিও-বার্তা দিয়েছেন পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী।
এক্স হ্যান্ডেলে পরিচালক বলেছেন, 'দ্য বেঙ্গল ফাইলস' সারা বিশ্বে রিলিজ করবে। কিন্তু সবারই মনে হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে হয়ত ছবিটি নিষিদ্ধ করা হবে। হল মালিকরাও তাঁকে বলছেন, ছবিটি নিষিদ্ধ না করা হলেও তাঁদের উপর এতটাই রাজনৈতিক চাপ আছে যে , ছবিটা দেখালে বড় মূল্য চোকাতে হতে পারে তাঁদের। তাই তাঁরা ছবিটি দেখাতে ভয় পাচ্ছেন। এই ভয় থেকেই গত ১৬ অগাস্ট ছবির ট্রেলারও দেখানি তাঁরা। তাই যখন একটি প্রাইভেট হোটেলে ট্রেলারটি প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়, কিন্তু বাংলার পুলিশ কোনও অজানা কারণে তা দেখাতে দেয়নি। পরিচালক বলেন,মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের কর্মীরাও বারবার ছবিটি নিষিদ্ধ করার স্বপক্ষে প্রচার চালাচ্ছেন।



















