RG Kar:আমি যাওয়ার পর যে চিৎকার, অশান্তি আন্দোলন করলাম তাঁর কিছু ভিডিও ক্লিপ আছে: প্রাক্তন কাউন্সিলর
ABP Ananda Live:' ৯তারিখ, ১৪ই অগাস্ট আন্দোলন যা দেখাচ্ছে, সেইদিন কিন্তু একা ছিলাম আমি ওখানে। অসহায় বাড়ির লোককে একা একটা ঘরে ঢুকিয়ে রেখেছিল। আমি যাওয়ার পর যে চিৎকার, অশান্তি আন্দোলন করলাম তাঁর কিছু ভিডিও ক্লিপ আমার কাছে আছে। এর থেকে যে যে স্টেপগুলি হয়েছে , সেখানেও চিৎকার করছি আমি, ম্যাজিস্ট্রেট চাই, ম্যাজিস্ট্রেট কে? যথাযথভাবে ম্যাজিস্ট্রেট এসেছেন, এরপরে অভয়ার বাবা-মাকে নিয়ে যআওয়া হচ্ছিল প্রিন্সিপালের কাছে। আমি যেতে দিইনি, বলেছিলাম প্রিন্সিপালও প্রকাশ্যে আসবে,' বললেন প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়।
পদ্মশ্রী নিতে দিল্লিতে মছলন্দপুরের ঢাকি গোকুলচন্দ্র দাস ! স্ত্রী বললেন, 'তিনি ফিরলেই আসল উৎসব..'
পদ্মশ্রী পুরস্কারে সম্মানিত হলেন বাংলার ঢাকি গোকুলচন্দ্র দাস। উত্তর ২৪ পরগনার মছলন্দপুরের বিধান পল্লির বাড়িতে খুশির হাওয়া। বাবা মতিলালচন্দ্র দাস ছিলেন বিখ্যাত ঢাকি। চার বছর বাবার কাছেই ঢাকের বোলে হাতেখড়ি হয় গোকুলচন্দ্রের। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের ওপর দখল রয়েছে মছলন্দপুরের অখ্যাত গ্রামের এই ঢাকির।
২০০৪ সালে একটি প্রতিযোগিতায় গোকুলচন্দ্রের হাতে ‘ঢাকি সম্রাট’ পুরস্কার তুলে দেন বিখ্যাত তবলা বাদক তন্ময় বসু। তন্ময়ের ওয়ার্ল্ড ক্ল্যাসিক্যাল ব্যান্ডে ঢাক বাজিয়েছিলেন গোকুল। এরপর থেকে শুধুই উত্থান। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঢাক বাজিয়েছেন গোকুলচন্দ্র। কাজ করেছেন পণ্ডিত রবিশঙ্কর, উস্তাদ হুসেন থেকে শুরু করে বহু নামজাদা শিল্পীর সঙ্গে। ৫৭ বছরের গোকুলচন্দ্র লিঙ্গভেদ মুছে ফেলে ঢাক বাজানোয় প্রশিক্ষণ দিয়েছেন মহিলাদের। এতদিন সেভাবে সম্মান পাননি, তাই পদ্ম-প্রাপ্তিতে খুশি বাংলার ঢাকি গোকুলচন্দ্র দাসের পরিবার। এ বিষয়ে পরিবারের সাথে কথা বললে জানা যায় তারা অত্যন্ত খুশি। এই পদ্মশ্রী পুরস্কার তার প্রাপ্য ছিল বলেই দাবি গোকুল বাবুর স্ত্রী মায়া দেবীর। বলেন, 'ছেলেরা অনুষ্ঠানের জন্য বাড়িতে নেই। গোকুলবাবু দিল্লিতে রয়েছেন। তিনি ফিরলেই আসল উৎসব হবে।'

















