SSC case: 'সরকার কি আদৌ এই রিভিউ পিটিশনের বিষয়ে সিরিয়াস ছিল?' প্রশ্ন তুলেছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়
ABP Ananda Live: ২০১৬-র SSC-র নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় সুপ্রিম কোর্টে রিভিউ পিটিশন খারিজ হওয়ার পরেই শুরু হয়েছে রাজনীতি। সরকার কি আদৌ এই রিভিউ পিটিশনের বিষয়ে সিরিয়াস ছিল? এই প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি সাংসদ ও প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, যোগ্য অযোগ্যের তালিকা দিয়ে যদি সুপ্রিম কোর্টকে বোঝানো যেত তাহলে আমার ধারণা সুপ্রিম কোর্ট এইটুকু মানবিক, তারা এটা দেখত। কারণ পরীক্ষা ব্যবস্থায় কী গন্ডগোল হয়েছে, তারজন্য তো পরীক্ষার্থীরা দায়ী নয়। দায়ী সরকার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ অধীর চৌধুরী বলছেন, সেদিন যদি যোগ্য অযোগ্যের তালিকাটা ফেলে দিতেন কারও চাকরি যেত না। আপনি তা করেননি। কারণ আপনার দলের চোরদের বাঁচানোর জন্য আপনি করতে পারেননি। তাহলে আপনার দলের লোকেরা ফাঁসত। বাড়ি বাড়ি হামলা হত। উত্তর এসেছে তৃণমূলের তরফে।
মিড ডে মিলে দুর্নীতির অভিযোগ, বাঁকুড়ার স্কুলে তুলকালাম
বাস্তবে যত পড়ুয়া মিড ডে মিল খায়, তার চেয়ে সংখ্যা অনেক বেশি দেখিয়ে মিড ডে মিল খাতে বরাদ্দ সরকারি অর্থ তছরুপের অভিযোগ। তা নিয়ে তুলকালাম বাধল বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটির লছমনপুর পরমহংস যোগানন্দ বিদ্যাপীঠে। অভিভাবকদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে মিড ডে মিল খাতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন প্রধান শিক্ষক। যদিও টাকা তছরুপের অভিযোগ মানতে চাননি তিনি।
মিড ডে মিল খাতে বরাদ্দ সরকারি অর্থ তছরুপের অভিযোগ উঠল বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটি ব্লকের লছমনপুর পরমহংস যোগানন্দ বিদ্যাপীঠে। বেনিয়মের অভিযোগে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান অভিভাবকরা। বিক্ষোভকারী অভিভাবক অভিজিৎ মাজি বলেন, "এখানে মিড ডে মিলে দুর্নীতি হচ্ছে। প্রধান শিক্ষক মহাশয়কে জিজ্ঞেস করেছিলাম, খাতা দেখতে চেয়েছিলাম। তখন উনি যে হিসাব আমাদের দেখিয়েছিলেন, তাতে ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকার মতো দুর্নীতির হিসেব পেয়েছি।'' আরেক বিক্ষোভকারী অভিভাবক প্রশান্ত লায়েক বলেন, "স্কুলে মিড ডে মিল খাওয়া সটুডেন্ট হচ্ছে ৩০০। সরকারকে হাজিরা দেখিয়েছেন ২৮০-২৯০, ২৫০। কিনতু আসলে খাচ্ছে ৫০, ৬০, ৭০, ৮০, ৯০, এরকম করে খেয়েছে। তার যে একটা অ্যামাউন্ট সরকার থেকে নিয়েছেন, সেই টাকাটা উনি অস্বীকার করছেন।''



















