I PAC Case: আইপ্য়াককাণ্ডে ED-র অবস্থান বদল নিয়ে প্রশ্ন কল্যাণের, জোর নিশানা শুভেন্দুর
Kalyan on ED on Mamata: আইপ্য়াককাণ্ডে মুখ্য়মন্ত্রীর বিরুদ্ধে চাঞ্চল্য়কর অভিযোগ তুলেছিল ইডি, এবার আইপ্য়াককাণ্ডে ED-র অবস্থান বদল নিয়ে কী প্রশ্ন কল্য়াণের ?

বিজেন্দ্র সিংহ, সৌভিক মজুমদার ও রাজীব চৌধুরী, কলকাতা: আইপ্য়াক তল্লাশিকাণ্ডে মুখ্য়মন্ত্রীর বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতির মতো চাঞ্চল্য়কর সব অভিযোগ তুলেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কিন্তু, বুধবার সেই ED সুপ্রিম কোর্টে ফের সময় চাওয়ায়, এই মামলার শুনানি আবার পিছোল। ED-র এই অবস্থান বদল নিয়ে কটাক্ষের সুযোগ হাতছাড়া করেননি মুখ্য়মন্ত্রীর আইনজীবী কল্য়াণ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। যদিও, এনিয়ে পাল্টা যুক্তি খাড়া করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।
আরও পড়ুন, হুমায়ুন কবীরের স্ত্রীকে নোটিস পাঠাল রাজ্যের ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর, ৭ দিনের মধ্যে জবাব তলব
কলকাতা হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্টে মামলা! খোদ মুখ্য়মন্ত্রীর বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতির মতো অভিযোগ ইডির!সুপ্রিম কোর্টে দ্রুত শুনানির আর্জি। সিবিআই তদন্তের আর্জি!মুখ্য়মন্ত্রীর চাঞ্চল্য়কর দাবি। মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বলেন, দেখুন, আমি সব নিয়ে এসেছি। এই আমার হার্ডডিস্ক, দেখুন, এই হল ফোন, হার্ড ডিস্ক, এই সব সংগ্রহ করছিল। আইপ্য়াক-কাণ্ড সংক্রান্ত আইনি লড়াইয়ের শুরুতে অত্য়ন্ত সক্রিয় ভূমিকায় দেখা গেছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি ED-কে। কিনতু, সেই ED-ই সময় চাওয়ার ফলে, পরপর দু'দিন এই মামলার শুনানি পিছোল। প্রথমে ৩ ফেব্রুয়ারি। তারপর ১৮ ফেব্রুয়ারি। যা দেখে অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, আইপ্য়াক মামলায় কেন্দ্রীয় এজেন্সি কি ঢিলেমি দেখাচ্ছে? শুরুর দিকের তাদের সেই সক্রিয়তা, সেই তৎপরতা কোথায় গেল? ED-র এই অবস্থান প্রশ্ন তোলার সুযোগ করে দিচ্ছে মুখ্য়মন্ত্রীর আইনজীবীদের হাতে!
মুখ্য়মন্ত্রীর আইনজীবী ও তৃণমূল সাংসদ কল্য়াণ বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বলেন, এত সিরিয়াস তো। এত বড় বড় কথা বললে কী করে হবে বাইরে? বাইরে এত বড় বড় কথা বললে, সিরিয়াস থাকলে মামলা শুনবে না? মামলা করবে না? মামলা তো করছে না। করতেই চাইছে না। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমরা আশাবাদী, কারণ প্রকাশ্য দিবালোকে সব ক্যামেরার সামনে ফাইলগুলো হাতে নিয়ে বলেছিলেন আমি কাড়িয়ে নিয়ে এলাম, চোর স্বীকার করেছে, আমি চুরি করেছি। শাহজাহান ED-র উপর হামলা করেছে, জেলে পচছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও একইভাবে আইনের আওতায় আনা উচিত। শাহজাহানের ক্ষেত্রেও সময় লেগেছিল, মমতা খালার ক্ষেত্রেও সময় লাগবে।
কিন্তু বিশেষ রাজনৈতিক সমীকরণের জেরে সব কিছু চাপা পড়ে যাবে না তো?এই প্রশ্নও তুলছেন কেউ কেউ! প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী বলেন, এসব নাটক করার তো কোনও মানে হয় না। ইডির আসারই বা কী দরকার ছিল, আর দিদির ইডির ফাইলপত্র নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে বাহাদুরি দেখানোরই বা কী দরকার ছিল আমরা জানি না। ইডি-কে যে আমি প্রথম দিন থেকে ইডিয়ট বলি, এটা কিন্তু ইডি আরেকবার প্রমাণ করল। শেষ অবধি কী হবে মামলার পরিণতি? কী ছিল ফাইলে? মুখ্য়মন্ত্রী জোর করে নিয়েছিলেন? না কি তিনি চাইতেন ইডি দিয়ে দিয়েছিল? দু পক্ষই নানা দাবি করছে! কিন্তু প্রশ্নটা হল, আসল সত্য়ি কি কোনওদিন সামনে আসবে? না কি রাজনীতির খেলায় সব ধামাচাপা পড়ে যাবে?























