Raiganj: রায়গঞ্জে বর্ষবরণের পিকনিকে গিয়ে খুন যুব তৃণমূল নেতা, ধৃত দলেরই ২ কর্মী, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র
Raiganj News: বাড়ির পাশে বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিক করছিলেন যুব তৃণমূল নেতা, এমনটাই জানা গিয়েছে। ষড়যন্ত্র করে গুলি করে খুনের অভিযোগ তুলেছে মৃতের পরিবারের সদস্যরা।

রায়গঞ্জ: বর্ষবরণের আনন্দই বিষাদের চেহারা নিল। রায়গঞ্জে বর্ষবরণের পিকনিকে গিয়ে খুন হতে হল যুব তৃণমূল নেতাকে। নিহত উত্তর দিনাজপুরের যুব তৃণমূল সহ-সভাপতি নব্যেন্দু ঘোষ। TMCP সদস্যদের বিরুদ্ধেই গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠেছে নব্যেন্দুর মৃত্যুর পর। এই ঘটনায় গ্রেফতার ২ TMCP সদস্য পিন্টু সাহা ও শুভম পাল। ধৃতদের থেকে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র।
পুলিশ সূত্রে খবর, এলাকার সিসি ফুটেজ দেখে গ্রেফতার করা হয়েছে ২ জনকে। বাড়ির পাশে বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিক করছিলেন যুব তৃণমূল নেতা, এমনটাই জানা গিয়েছে। ষড়যন্ত্র করে গুলি করে খুনের অভিযোগ তুলেছে মৃতের পরিবারের সদস্যরা। এই ইস্যুতে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব বলেছে, গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন হতে হয়েছে তৃণমূলকর্মীকে। তবে গোষ্ঠীকোন্দলের অভিযোগ মানতে নারাজ তৃণমূল নেতৃত্ব।
উল্লেখ্য়, বর্ষবরণের রাতে বড় অঘটন ঘটে গিয়েছে স্যুইৎজারল্যান্ডে। বর্ষবরণের রাতে সুইজারল্যান্ডে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। কেঁপে উঠল সুইস আল্পসের পর্যটকপ্রিয় ক্রান্সমন্টানা শহর। বিস্ফোরণে মৃত অন্তত ৪০, আহত ১০০ জন। জনপ্রিয় পর্যটন শহর ক্র্যানস-মন্টানায়ে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে বলে জানা গিয়েছে। ক্র্যানস-মন্টানার লে কনস্টেলেশন নামে একটি পানশালায় ঘটনাটি ঘটে। পানশালায় নববর্ষ উদযাপনের মাঝে একের পর এক বিস্ফোরণ হয়। মুহূর্তে আগুন ধরে যায় গোটা পানশালায়, আতঙ্কে শুরু হয় ছোটাছুটি।
গোয়ার নাইটক্লাবে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়েছিল এক বঙ্গসন্তানেরও
গত বছরের ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ঘটনার গুলির মধ্যে অন্যতম ছিল, গোয়ার উত্তর জেলার আরপোরা এলাকায় জনপ্রিয় নাইট ক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৫ জনের। জানা যায়, প্রায় ৫০ জন আহত হয়েছিলেন ।তাঁদের চিকিৎসার জন্য গোয়া মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়েছিল। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে একাধিক জন পর্যটক এবং বাকিরা নাইটক্লাবের কর্মী রয়েছেন। প্রাথমিকভাবে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের জেরে এই আগুন বলে মনে করা হয়েছিল।যদিও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি ছিল, যে তাঁরা কোনও বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাননি। তদন্তকারী সংস্থাগুলি এখন অন্যান্য সম্ভাব্য কারণগুলিও তদন্ত করছে, যার মধ্যে উদযাপনের জন্য রাখা আতশবাজি বা রাসায়নিকের কারণে আগুন লাগার সম্ভাবনাও রয়েছে। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনায় উচ্চস্তরের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এবার ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্ত রিপোর্টে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য। এই ঘটনায়, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গুরুতর প্রশাসনিক গাফিলতির ছবিই বাইরে বেরিয়ে এসেছে।
গোয়ার নাইটক্লাবে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের এক বাসিন্দারও। গোয়ার ওই অগ্নিকাণ্ডে যে কয়েক জনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ছিলেন দার্জিলিঙের বাসিন্দা সুভাষ ছেত্রীও। আগুনে ঝলসে প্রাণ হারিয়েছেন তিনি।






















