CM Suvendu Adhikari On Rath Yatra 2026: রথযাত্রায় যোগ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, ফের কোনও বড় ঘোষণা ? " আগামী পয়লা আগষ্ট থেকে.."
Rath Yatra 2026 CM Suvendu Adhikari At Iskcon: রথযাত্রায় যোগ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, কী বার্তা দিলেন ?

কলকাতা: কলকাতা ইসকনেও রথযাত্রা উৎসব।রথযাত্রায় যোগ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।রথের রশিতে দিলেন টান। এদিন তিনি পশ্চিমবঙ্গবাসীকে রথযাত্রার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন, 'বিশ্বাস-ব্রাদার্স' ছাড়াই রথের সকালে হল খুঁটিপুজো, পালাবদলের রাজ্যে সুরুচি সঙ্ঘেরও 'রূপ' বদল
মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফ থেকে এই শুভ পবিত্র রথযাত্রা উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে,আমার পক্ষ থেকে সরকারের পক্ষ থেকে, আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। ...আপনারা শুনলে খুশি হবেন, ইসকনের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ সরকার যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এবারের বাজেট বক্তৃতায় দেখেছেন, যে আমরা...ছাত্রছাত্রী আগামীদিনের ভবিষ্যত, যে পুষ্টিকর খাদ্য বিতরণের প্রধানদায়িত্ব, এটা ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যে ইসকন সম্মানের সঙ্গে করছে।এক্ষেত্রে আমরা পশ্চিমবঙ্গে, কলকাতা মহানগরী আগামী পয়লা আগষ্ট থেকে শুরু করতে চলেছে।এটি একটি পরম প্রাপ্তি আমাদের। আমাদের সরকার, শুধুমাত্র আধিকারিক এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মধ্যে সামীবদ্ধ থাকবে না। আমরা ইসকন, রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ সহ আধ্যাত্মিক প্রচার এবং যারা সেবা করেন মানুষের, তাঁদের নিয়ে, বাংলার নবনির্মাণে এগিয়ে যাবো।'
আজ রথযাত্রা। আষাঢ় শেষের শুক্লপক্ষে জমজমাট পুরী৷ রথযাত্রা উপলক্ষে পুরীতে এবারও লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড়। দেশের নানা প্রান্তের মানুষের সঙ্গে ভিড় জমিয়েছেন বহু বিদেশি পযর্টক৷ সমুদ্র-শহর আক্ষরিক অর্থেই জনসমুদ্র। রথযাত্রা উপলক্ষে সেজে উঠছে পুরীর জগন্নাথ মন্দির। বুধবার প্রায় দিনভর বৃষ্টি হয়েছে পুরীতে। বৃহস্পতিবারও দফায় দফায় ঝেঁপে বৃষ্টি নামে সৈকত শহরে। তারই মধ্যে রথের রশি ছুঁতে ভিড় জমিয়েছেন কাতারে কাতারে ভক্ত। সকাল থেকেই রীতিনীতি মেনে শুরু হয় পূজার্চনা। পালিত হয় নানা রীতি। রথযাত্রার দিন সকাল ককাল স্নান করেন জগন্নাথ দেব।
প্রাচীন এই রীতিকে বলে অবসর। স্নানের পর খিচুড়ি ভোগ খান জগন্নাথদেব। তারপর তৈরি হন মাসির বাড়ি যাওয়ার জন্য। ভোগ বিতরণের পর রথের প্রতিষ্ঠা। ঢাক, কাঁসর, ঘণ্টা বাজিয়ে মন্দির থেকে শোভাযাত্রা করে জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রাকে বের করে আনা হয় বাইরে। মন্দিরের সিঁড়ি থেকে রথ পর্যন্ত রাস্তায় বিছিয়ে দেওয়া হয় তোষক। তার ওপর দিয়ে এনে দেবতাদের তোলা হয় তিনটি আলাদা রথে। এই রীতিকেই বলে, পোহণ্ডিবিজয়।পোহণ্ডিবিজয়ের পর সোনার ঝাঁটা দিয়ে রথের পথ পরিষ্কার করেন পুরীর রাজা৷ এই রীতিকে বলা হয় ছেড়াপহরা৷ দুপুরে খিচুড়ি ভোগ খেয়ে মাসির বাড়ির উদ্দেশ রওনা হন জগন্নাথ,রথে চড়ে জগন্নাথদেবের মাসির বাড়ি যাত্রা৷ সঙ্গী বলরাম, সুভদ্রা৷




















