RG Kar News: RG Kar- এ লিফটে আটকে যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে উঠছে প্রচুর প্রশ্ন
RG Kar News: মানুষ হাসপাতালে যায় জীবন বাঁচাতে। কিন্তু, সেখানেই যে মৃত্য়ু ওঁত পেতে রয়েছে, তা কে জানত ! জানতেন না দমদমের অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

কলকাতা : ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে আর জি করে অভয়ার ধর্ষণ এবং খুনের সাংঘাতিক ঘটনার পর, আর জি কর-সহ রাজ্যের হাসপাতালগুলির নিরাপত্তা ও পরিকাঠামো নিয়ে একগুচ্ছ প্রশ্ন উঠেছিল। এ রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালগুলির নিরাপত্তা ও পরিকাঠামো ঠিক করতে কমিটিও তৈরি হয়। শুক্রবার ভোরবেলায় আর জি কর- এ যে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে তার পর ফের একবার হাসপাতালের নিরাপত্তা ও পরিকাঠামো নিয়ে প্রচুর প্রশ্ন উঠছে।
- গত ১ বছর ৭ মাসে হাসপাতালগুলির নিরাপত্তা ও পরিকাঠামো আদৌ উন্নত হয়েছে কি?
- সঙ্গে সঙ্গে কেউ কেন তালা ভেঙে বা খুলে বেসমেন্টে নামলেন না?
- কেন দমকল বাহিনীকে খবর দেওয়া হল না?
- লিফটটি গন্ডগোল করা সত্ত্বেও কেন সাধারণের জন্য খুলে রাখা হয়েছিল?
- লিফট আটকে যাওয়ার পর হাসপাতাল কর্মীরা কেন সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করতে পারলেন না?
মানুষ হাসপাতালে যায় জীবন বাঁচাতে। কিন্তু, সেখানেই যে মৃত্যুু ওঁত পেতে রয়েছে, তা কে জানত ! জানতেন না দমদমের অরূপ বন্দ্যোপাধ্যাও। লিফটে আটকে তাঁর মর্মান্তিক মৃত্যুু একগুচ্ছ প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিকাঠামোকে। এই হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে মোট ৩টে লিফট। কেউ কেউ বলছেন, যে ২ নম্বর লিফটে আটকে অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু হয়েছে, তাতে আগে থেকেই সমস্যা ছিল। অভিযোগ, লিফটে থাকেন না কোনও অপারেটর।
এখানেই প্রশ্ন উঠছে
- লিফটম্যান কোথায় ছিলেন?
- বেসমেন্টে লিফটের বাইরে গেটের চাবি কার কাছে ছিল?
- এক ঘন্টাতেও কেন তাঁকে খুঁজে পাওয়া গেল না?
- লিফটে ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও সেটি খুলে রাখা হয়েছিল কেন?
- লিফটে যে আগে থেকেই সমস্যা ছিল, সেটা কি কর্তৃপক্ষের কেউ জানত না?
- যে লিফটে অসুস্থ, বয়স্করা ওঠানামা করেন, সেখানে লিফটম্যান ছিলেন না কেন?
- লিফটে কি প্যানিক বাটন ছিল না?
- লিফটে আটকে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করা গেল না কেন?
- লিফট আটকে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই তালা খোলার ব্যবস্থা করা হল না কেন?
- তখনই তালা ভেঙে কেউ বেসমেন্টে নামলেন না কেন?
- কেন দ্রুত দমকল ডাকা হল না?
অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়দের নিয়ে, লিফট যখন ঘণ্টাখানেক বেসমেন্টে আটকে, হাসপাতালের কর্মী, পুলিশ কেউ বেসমেন্টে নেমে উদ্ধারের চেষ্টা করেননি। বেসমেন্টে নামার সিঁড়ির গেটেও ভোরবেলা তালা লাগানো ছিল। মৃতের পরিবারের দাবি, লিফট যখন দীর্ঘক্ষণ বেসমেন্টে আটকে থাকে, তখন হাজার কাকুতি-মিনতি করেও কারও সাহায্য পাওয়া যায়নি। খুঁজে পাওয়া যায়নি লিফটের বাইরে লোহার গেটের চাবি। ছেলেকে সুস্থ করে তুলতে হাসপাতালে এসেছিলেন। ছেলে নিশ্চয়ই একদিন সুস্থ হবে। কিন্তু, বাবাকে সে আর দেখতে পাবে না।





















