LPG Gas Booking: আইটেমে কাটছাঁট, LPG সংকটে ডেকার্স লেনে বন্ধের মুখে একাধিক দোকান! কোথাও কোথাও সংগ্রহ করা হচ্ছে কয়লা
Cooking Gas Cylinder: প্রতিদিনই ডেকার্স লেনে খাবারের দোকানে ভিড় করেন হাজার হাজার অফিসযাত্রী

কলকাতা: কলকাতা থেকে জেলা। রাস্তার ধারের দোকান থেকে পেটচুক্তি হোটেল। সিলিন্ডার সঙ্কট দেখা দিয়েছে সব জায়গাতেই। কাল থেকে ঝাঁপ বন্ধের পথে ডেকার্স লেনের একাধিক দোকান। জেলার হোটেলগুলোতেও একই ছবি। LPG সিলিন্ডার আকালের জেরে একদিকে যেমন আমজনতা নাজেহাল, তেমনই ছোট-বড় সব হোটেলে পড়েছে এর ব্য়াপক প্রভাব পড়েছে। বড়-ছোট-মেজো সব রেস্তোরাঁর মালিকরাই ফাঁপড়ে পড়েছেন!
প্রতিদিনই ডেকার্স লেনে খাবারের দোকানে ভিড় করেন হাজার হাজার অফিসযাত্রী। খাবারের দোকান সারি সারি। বিক্রি এতই বেশি যে, কারও প্রতিদিন ৩ টে করে সিলিন্ডার লাগে। কারও ২টো। কিন্তু এখন অনেক দোকানদারই পাচ্ছেন না সিলিন্ডার। দিনে একবার খাবার বানাচ্ছেন কেউ কেউ। কাটছাঁট করা হয়েছে আইটেমেও। এক খাবার বিক্রেতা বলছেন, ৩ হাজার টাকা দিয়েও মিলছে না সিলিন্ডার। সেই কারণে অর্ধেকের বেশি আইটেম বানাতেই পারেননি অর্ধেক দোকানদার। অনেক জায়গায় দেখা যাচ্ছে, মাখা অবস্থায় পড়ে রয়েছে ময়দা, মাঝপথেই শেষ হয়েছে গ্যাস! চিত্ত বাবুর দোকানে দেখা গেল কয়লা মজুত করার মতো ছবিও।
কেউ আবার এখন কোনওমতে দোকান চালাতে পারলেও, পরে কী হবে, বুঝতে পারছেন না! অনেক দোকানদারই বলছেন, বৃহস্পতিবার থেকে আর দোকান খুলবেন না তাঁরা। সাদার্ন অ্যাভিনিউয়ের এই চায়ের দোকানেরও একই ছবি! দোকানদারের চোখেমুখে উদ্বেগ! চায়ের সঙ্গে নিমকি এবং সিঙারা বিক্রি করেন তপন দাস। বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের অভাবে বাদ পড়েছে নিমকি, সিঙ্গারা। আইটেম বলতে শুধু চা আর বিস্কুট।
কলকাতার পাশপাশি জেলাতেও একই ছবি। রানিগঞ্জের হোটেল নীলকন্ঠ। মজুত আছে আর ২ দিন চালানোর মতো গ্যাস। তারপর বন্ধ করে দিতে হবে খাবারের অর্ডার নেওয়া। LPG সঙ্কটে পড়েছে মেদিনীপুরের একাধিক হোটেলও। বহু ডিস্ট্রিবিউটারই জানাচ্ছেন তাদের কাছে বাণিজ্যিক LPG সিলিন্ডারের স্টক শেষ। প্রশ্ন একটাই, কবে স্বাভাবিক হবে পরিস্থিতি?
অন্যদিকে, গড়িয়াহাটের কমিউনিটি কিচেনে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, এখানে এদিন পড়ুয়াদের জন্য রান্না হওয়ার কথা ছিল ভাত আর সয়াবিনের তরকারি। কিন্তু অপ্রতুল LPG। সেই কারণে নির্দেশ এসেছে, এক পদে রান্না সারতে। ভাত আর ডাল একসঙ্গে সিদ্ধ হবে, রান্নাও হয়ে যাবে তাড়াতাড়ি। বাঁচবে গ্যাস। সেই কারণেই মেন্যু থেকে বাদ পড়েছে সয়াবিনের তরকারি। অন্যদিকে গতকালই কলকাতার একাধিক স্কুলে পড়ুয়াদের ডিমসিদ্ধ নিয়ে কোনোমতে সামাল দেওয়া গিয়েছে পরিস্থিতি। তবে এইভাবে রান্নার গ্যাসের আকাল চললে আগামীদিনে কীভাবে চলবে মিড ডে মিল, সেটা ভাবাচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।























