Rahul Arunodoy Banerjee Death: একই অভিজ্ঞতা হয়েছিল অপরাজিতা আঢ্যরও! রাহুলের মৃত্যুতে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন গৌতম ঘোষ
Rahul Arunodoy Banerjee: প্রখ্যাত অভিনেতা, নাট্যকার, সাহিত্যিক রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় দিঘা সংলগ্ন তালসারির সমুদ্রে ডুবে প্রাণ হারান।

কলকাতা: জীবন বড়ই অনিশ্চিত। এই প্রবাদটি ফের একবার প্রমাণিত হল। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় এক খবর গোটা টলিপাড়াকে নাড়িয়ে দেয়। রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় (Rahul Arunodoy Banerjee) আর নেই। অবিশ্বাস্য লাগলেও এটাই সত্যি। প্রখ্যাত অভিনেতা, নাট্যকার, সাহিত্যিক দিঘা সংলগ্ন তালসারির সমুদ্রে ডুবে প্রাণ হারান।
এক সিরিয়ালের শ্যুটিংয়ের জন্য তালসারি গিয়েছিলেন রাহুল। সেখানেই শ্যুটিংয়ের শেষে সমুদ্রে নেমে ডুবে যান রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়। ৪৩ বছর বয়সেই না ফেরার দেশে চলে গেলেন রাহুল। ২০০০ সালে 'চাকা' ছবিতে অভিনয় দিয়ে শুরু তাঁর কেরিয়ার। রাহুলকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছিল 'চির দিনই তুমি যে আমার', ২০০৮ সালে 'আবার আসব ফিরে' ও 'জ্যাকপট' ছাড়াও, 'জুলফিকার', 'বিদায় ব্যোমকেশ', 'ব্যোমকেশ গোত্র' ছবিতে অভিনয় রাহুলকে খ্যাতি এনে দিয়েছিল। অভিনয়ের পাশাপাশি থিয়েটার করতেন নিয়মিত। লিখেছেন ১০টারও বেশি বই। সেই রাহুলই না ফেরার দেশে চলে গেলেন।
অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের গলা বুজে আসছে। তিনি এই খবর মেনেই নিতে পারছেন না। স্তম্ভিত তিনি। পরিচালক গৌতম ঘোষকে তাঁর মেয়ে এই দুঃখের খবরটি জানান। এমন এক দুর্ঘটনার পরেই স্বাভাবিকভাবেই যে জায়গায় শ্যুটিং হচ্ছিল, সেখানকার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বাংলা সিনেমা জগতে যে এই নিরাপত্তার জায়গাটা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন রয়েছে, সেকথা মেনেই নিচ্ছেন গৌতম ঘোষ (Goutram Ghose)।
তিনি জানান, ‘বাংলা জগতে অল্প বাজেটের ছবিতে কিন্তু নিরাপত্তা খুব একটা থাকে না। কিছু সময় খুব নাম করা স্টার থাকলে হয়তো সেক্ষেত্রে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আর সত্য়ি বলতে এমন দুর্ঘটনা তো না না জায়গায় হয়েছে। আমি নিজেও প্রচুর আউটডোর করেছি এবং সেখানে শ্য়ুটিং করতে গিয়ে অনেক সময়ই বিপাকে পড়েছি। তা ছাড়া দীঘার সমুদ্রে না বিষয়টি বোঝা যায় না। নীচে এমন একটা টান যা নিজের দিকে টেনে নেয় সব।’
তালসারির ঠিক এই চড়ে অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য (Aparajita Auddy) নিজেও কিন্তু দুর্ঘটনার শিকার হতে হতে কোনওক্রমে রক্ষা পান। নিজের সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার স্মৃতি ভাগ করে তিনি জানান, ‘আমি যেটুকু শুনতে পাচ্ছি, তালসারির যে জায়গায় ঘটনাটি ঘটেছে, সেখানে আমি বহুবার শ্যুটিং করেছি। ওখানে হঠাৎ করেই জলটা বেড়ে যায়। ওই চারটে, সাড়ে চারটে নাগাদ ওই চড়টায় হঠাৎ করেই জল বেড়ে যায়। আমার নিজেরও সেই অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমি ওখানে একটা সিরিয়ালের শ্যুটিং করছিলাম, তখন এক মুহূর্তে পায়ের নীচে জল ছিল তার কিছুক্ষণ পরেই দেখলাম গলা অবধি জল বেড়ে গিয়েছে। আমাকে তখন একজন মাঝি ছিলেন তিনি নৌকা করে নিয়ে এসেছিলেন। সে এক ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা ছিল। ২০০২ সালে এইরকম একটা ঘটনা ঘটেছিল।’






















