Rahul Death Controversy: পুলিশি অনুমতি নিয়ে শ্যুটিং করলে থাকে লাইফ সেভিং গার্ড, বোট ও চিকিৎসক! রাহুলের মৃত্যুর দিন তালসারিতে ছিল না কিছুই?
Rahul Death Controversy News: অকালে, অসময়ে, একেবারে আকণ্ঠ শোকে ডুবিয়ে তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে... আর কখনও ফিরবেন না...। এই সত্য সহজ। তবে, মেনে নেওয়া ততটাই কঠিন।

কলকাতা: 'আমাকে ছুঁয়ে থাকো অপেক্ষায় কাটানো বিকেলের মতো।
আকাশ তো কাঁদবেই, মাঝে সাঝে...'
অকালে, অসময়ে, একেবারে আকণ্ঠ শোকে ডুবিয়ে তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে... আর কখনও ফিরবেন না...। এই সত্য সহজ। তবে, মেনে নেওয়া ততটাই কঠিন। এখন যা আছে, শুধুই অপেক্ষা। সত্য সামনে আসার অপেক্ষা! কীভাবে ঘটল এই অঘটন? কাদের গাফিলতিতে এই মর্মান্তিক মৃত্যু? ওড়িশার তালসারির এই জায়গাতেই চলছিল ধারাবাহিকের শ্যুটিং... রবিবার যেখানে ঘটে যায় মর্মান্তিক ঘটনা। ওড়িশা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, শ্যুটিংয়ের টিম পুলিশকে কোনও আগাম খবর দেয়নি অথবা কোনও অনুমতি নেয়নি।
বালেশ্বরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গায়ত্রী প্রধান বলছেন, 'এই শ্য়ুটিংয়ের জন্য় তাঁরা আমাদের থেকে অনুমতি নেননি। আমাদের কিছু জানানোও হয়নি। এর জন্য় ব্য়বস্থা নেওয়া হবে। দিঘা পুলিশের থেকেও তাঁরা অনুমতি নেননি। দুই রাজ্য়ের পুলিশের কারও কাছেই খবর ছিল না।' পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা বলছেন, 'জেলা পুলিশের কাছে কোনও তথ্য ছিল না।' পুলিশ সূত্রে দাবি, সমুদ্র শ্যুটিং করতে গেলে,অনুমতি নিতে হয় পুলিশ, কোস্টাল বিভাগ, এবং স্থানীয় ফিশারম্য়ান সোসাইটির থেকে। যা ওড়িশা সরকারের মৎস্য় দফতরের অন্তর্গত। কিন্তু কারও থেকে কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ। তালসারির ফিশারম্যান কো-অপারেটিভ সোসাইটির প্রেসিডেন্ট সুরেন্দ্রনাথ রামগঙ্গাই বলছেন, 'আগে থানায় জানাতে হয়। তারা একটা অনুমতি দেয়। আমাদের কোস্ট গার্ড তাদেরকে তারা পাঠায় পাহারার জন্য। তারপরে এখানে লোকাল একটা পারমিশন থাকে। তারমধ্যে সোসাইটিরও আছে। মানে কো-অপারেটিভ সোসাইটি। তার থেকে অকটা অনুমতিপত্র নিতে হয়। তারা কিছু নেয়নি এবং স্থানীয় কোনও সাহায্য তারা চায়নি। নিজের ইচ্ছেতে তারা শ্যুটিং করছিল।'
পুলিশ সূত্রে খবর, শ্যুটিংয়ের জন্য অনুমতি নেওয়া থাকলে সেখানে লাইফ সেভিং বোট, লাইফ সেভিং গার্ড রাখা হয়। একজন চিকিৎসক থাকেন। আরও বেশ কিছু জিনিসপত্রের ব্যবস্থা করা হয়, যেগুলি আপতকালীন পরিস্থিতিতে কাজে লাগানো যায়। স্থানীয়দের বক্তব্য়, তাদের কাউকে সেখানে রাখলেও হয়তো এই ঘটনা এড়ানো যেত। তালসারির স্থানীয় এক বাসিন্দা, দীনবন্ধু বেহরা বলছেন, 'কোনও স্থানীয় ছেলে যদি এক-দুটো থাকত, ওঁরা সাঁতার কাটা জানে। একজন থাকলেও বাঁচাতে পারত ওই লোকটাকে। কোনও দিন স্থানীয় লোককে নেয়নি। দু-তিনবার শ্যুটিং হয়েছে, ওরা নৌকা নিয়ে যায়, ওই নৌকার লোকগুলো থাকে। 'অনুমতি না নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে ইতিমধ্যেই সাফাই দিয়েছেন প্রোডাকশন হাউসের অন্য়তম প্রধান লীনা গঙ্গোপাধ্য়ায়। তাঁর কথায়, 'আমাদের প্রয়োজনীয় অনুমতি ছিল। নিরাপত্তার সমস্ত বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। আমরা কোঅর্ডিনেটরকে টাকা দিই, তারাই এগুলোর ব্যবস্থা করে দেয়।'
কাদের দোষে, কাদের গাফিলতিতে হারিয়ে গেলেন রাহুল? কোনওদিন কি তা সামনে আসবে?






















