US-Iran War: ইরানকে ক্ষতিপূরণ দেবে আমেরিকা? যুদ্ধ থামাতে তিনটি শর্ত পেশ করল তেহরান
Iran War: ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুদ্ধসমাপ্তির তিনটি শর্ত পেশ করেছেন।

নয়াদিল্লি: নয় নয় করে দ্বিতীয় সপ্তাহ পার হওয়ার জোগাড়। আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ চলছে এখনও। সেই আবহে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের সামনে তিনটি শর্ত রাখল ইরান। ওই তিনটি শর্ত মেনে নিলে তবেই যুদ্ধ থেকে সরে আসার কথা ভাবা হবে বলে জানিয়েছে তেহরান। (US Iran War)
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুদ্ধসমাপ্তির তিনটি শর্ত পেশ করেছেন। রাশিয়া এবং পাকিস্তানের কথাও তুলে ধরেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘রাশিয়া এবং পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। আবারও বলছি, ইরান আঞ্চলিক শান্তি টিকিয়ে রাখার পক্ষে। ইহুদি শাসক এবং আমেরিকার উস্কানিতে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ শেষ করার রাস্তা একটাই—ইরানের বৈধ অধিকারকে স্বীকৃতি দিতে হবে, ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং ভবিষ্যত ফের যে আগ্রাসন নেমে আসবে না, তার সপক্ষে গ্যারান্টি দিতে হবে আন্তর্জাতিক মহলকে’। (Iran War)
Talking to leaders of Russia and Pakistan, I reaffirmed Iran’s commitment to peace in the region. The only way to end this war—ignited by the Zionist regime & US—is recognizing Iran’s legitimate rights, payment of reparations, and firm int'l guarantees against future aggression.
— Masoud Pezeshkian (@drpezeshkian) March 11, 2026
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলই প্রথম হামলা চালায় ইরানে। দেশের সর্বোচ্চ শাসক আয়াতোল্লা খামেনেইকে হত্যা করা হয়। সেই থেকে হামলা, পাল্টা হামলায় উত্তপ্ত পশ্চিম এশিয়া। এই যুদ্ধের দরুণ জ্বালানি সঙ্কট দেখা দিয়েছে, অর্থনৈতিক সঙ্কট নেমে আসতে পারে বলেও আশঙ্কা। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির দাবি উঠছে সব মহল থেকেই। একদিন আগে, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, শীঘ্রই যুদ্ধ শেষ হবে। আর তার পরই নিজেদের শর্ত পেশ করল ইরান।
এর আগে, ইরানের সশস্ত্রবাহিনীর মুখপাত্র আবুলফজল শেকরচি জাননা, আমেরিকা যদি ইরানের বন্দরে হামলা চালায়, সেক্ষেত্রে পারস্য উপসাগর সংলগ্ন কোনও বন্দর, কোনও অর্থনৈতিক কেন্দ্রই রক্ষা পাবে না। তাঁদের সেনা আরও তীব্র আঘাত হানবে বলে জানান তিনি। আমেরিকা যাতে উপসাগরীয় দেশগুলির মাটি ব্যবহার করতে না পারে, সেই হুঁশিয়ারিও দেন।
তার পর পরই পেজেশকিয়ানের এই বার্তা ইতিবাচক ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলেও এই যুদ্ধ নিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রিপোর্ট বলছে, ট্রাম্প দাবি জানালেও, ইরানে ক্ষমতার পালাবদলের কোনও সম্ভাবনা নেই আপাতত। ইজ়রায়েলের এক আধিকারিক জানান, ইরানে গণ অভ্যুত্থান ঘটবে, বর্তমান শাসকের পতন ঘটবে বলে কোনও ইঙ্গিত নেই এখনও পর্যন্ত। সেই আবহে পেজেশকিয়ানের বার্তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। তাহলে কি আমেরিকা-ইজ়রায়েল বনাম ইরানের যুদ্ধ শেষ হওয়ার মুখে? আশায় বুক বাঁধছেন অনেকেই।























