Sonam Wangchuk News: ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতেই আন্দোলন, শেষে কেন শর্ত বদল? অবশেষে উত্তর দিলেন সোনম ওয়াংচুক
Sonam Wangchuk Update: কখনও সোনম ওয়াংচুকের বার্তায় কেন থাকত না, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি?

কলকাতা: তাঁর অনশন মঞ্চের পিছনে, বড় বড় হরফে লেখা ছিল, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে, অনশন ভাঙার শর্ত দেওয়ার সময়, সরকারের সঙ্গে কথা বলার সময় কেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি রাখলেনই না, সোনম ওয়াংচুক (Sonam Wangchuk)? বারে বারেই এই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। ১৮ জুলাই, সাদা পোশাকে পুলিশ সোনম ওয়াংচুককে তুলে নিয়ে যায় যন্তর মন্তরের অনশন মঞ্চ থেকে। তাঁকে রাখা হয় দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে। সেখান থেকেই, হাতে লেখা বার্তা পাঠাতেন সোমন ওয়াংচুক। কিন্তু কখনও সেই বার্তায় কেন থাকত না, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি?
কেন শেষে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি থেকে সরলেন সোনম?
আজ সোনম ওয়াংচুক একটি দীর্ঘ ভিডিও করে জানান, তিনি সরকারকে বেশ কয়েকটি শর্ত দিয়েছিলেন। সেই শর্তগুলি পূর্ণ হলে, তবেই অনশন ভাঙতে প্রস্তুত ছিলেন তিনি। সেই শর্তগুলির মধ্যে একটি অন্যতম শর্ত ছিল, ২০ জুলাই, দিল্লির সংসদভবনের সামনে ও যন্তর মন্তরে যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী ও ককরোচ জনতা পার্টির সদস্যরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সামিল হয়েছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। সোনম ওয়াংচুকের অন্যান্য শর্তগুলি, যেমন সংসদে NEET প্রশ্নফাঁস নিয়ে আলোচনা থেকে শুরু করে, আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, এই সমস্ত শর্ত সরকারের তরফে মেনে নেওয়া হলেও, ছাত্রছাত্রী ও ককরোচ জনতা পার্টির সদস্যদের ওপর আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ার শর্ততেই সবচেয়ে বেশি আপত্তি ছিল সরকারের তরফে।
সোনম জানিয়েছেন, তিনি মৌখিক আশ্বাসে সন্তুষ্ট হতেন না। কারণ তিনি কখনও চাননি এই পরিস্থিতি তৈরি হোক যে, তিনি অনশন ভেঙে মুক্ত হয়ে যান কিন্তু ছাত্রছাত্রীরা জেল-হাজতে থাকুক, বারে বারে হাজিরা দিতে হোক তাঁদের। ছাত্রছাত্রীদের রক্ষা করা তাঁর কাছে আশু কর্তব্য বলে মনে হয়েছিল। সোনম আরও জানিয়েছেন, তাঁর বিশ্বাস ছিল, তিনি অনশন ভাঙলেই এই আন্দোলন শেষ হয়ে যাবে না। ককরোচ জনতা পার্টির সদস্যরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন, ছাত্রছাত্রীরাও সামিল হবেন। সোনমের আস্থা, ধর্মেন্দ্র প্রধান যে এখনও পদত্যাগ করেননি, এই বিষয়টাকে গোটা দেশ মোটেই ভাল চোখে দেখছে না। ছাত্র আন্দোলনের চাপে পড়ে, আজ নাহলে কাল, তাঁকে পদত্যাগ করতেই হবে। সেই ক্ষমতা ছাত্র আন্দোলনের রয়েছে। কিন্তু সোনম ওয়াংচুকের মনে হয়েছিল, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের চেয়ে, তাঁর কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনে জড়িত ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করা। সেই কারণে তিনি ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে এই শর্তকেই এগিয়ে রেখেছিলেন।























