US-Iran War: অস্ত্রভাণ্ডারে টান পড়ার আশঙ্কা পেন্টাগনের, ইরান নিয়ে যদিও আশাবাদী ট্রাম্প
US Arms Stock: ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে একযোগে হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল।

নয়াদিল্লি: ইরানকে পুরোপুরি পঙ্গু করে দেওয়ার হুঙ্কার দিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজেদের ‘অফুরন্ত’ অস্ত্রভাণ্ডারের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। কিন্তু যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে অস্ত্রশস্ত্রে টান পড়তে পারে বলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে আমেরিকায়। শুক্রবার হোয়াইট হাউসে অস্ত্র উৎপাদনকারী সংস্থাগুলির সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। সেখানে অস্ত্র উৎবাদন বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে খবর। (US Arms Stock)
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে একযোগে হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল। সেই আবহে পেন্টাগনের একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয় আমেরিকার সংবাদমাধ্যমে, যাতে দাবি করা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ১০ দিনের বেশি চললে, কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা তলানিতে গিয়ে ঠেকতে পারে। (US-Iran War)
ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তির আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর গত শুক্রবার সংবাদমাধ্য়মের মুখোমুখি হন ট্রাম্প। জানান, পরমাণু চুক্তি নিয়ে যেভাবে আলোচনা চলছে, তা একেবারেই পছন্দ মনঃপুত হচ্ছে না তাঁর। এর ঘণ্টা তিনেক পরই ইরানের বিরুগ্ধে সামরিক অভিযানের নির্দেশ দেন তিনি, যাতে আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-সহ ইরানের শীর্ষ আধিকারিকদের মৃত্যু হয়।
খামেনেইয়ের মৃত্যুতে পাল্টা হামলা চালাতে শুরু করে ইরান। বাহরাইন, সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, উরাকের মতো উপসাগরীয় দেশগুলিতে আমেরিকার ঘাঁটি লক্ষ্য করে পর পর ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ছোড়ে তারা। সেই আবহে তেহরানে হামলা অব্যাহত রাখে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলও। ট্রাম্প জানিয়ে দেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হতে পারে।
কিন্তু জানা যাচ্ছে, পেন্টাগনের আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্পের কাছে। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে মজুত অস্ত্রভাণ্ডার যথেষ্ট নাও হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তাঁরা। এক শীর্ষস্থানীয় আধিকারিককে উদ্ধৃত করে CNN জানিয়েছে, কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের ভাঁড়ারে ইতিমধ্যেই টান ধরতে শুরু হয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে Tomahawk, SM-3 ইন্টারসেপ্টর। ইউক্রেনকে জোগান দিতে গিয়ে Patriot ক্ষেপণাস্ত্রেও ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
আমেরিকার দাবি, ইরানে কমপক্ষে ২০০০ হামলা চালানো হয়েছে। তাদের জাহাজ, ডুবোজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে সাগরে। মুহুর্মুহু হামলার মুখে পড়ে ইরানের প্রতিরক্ষার ভিত নড়বড়ে হয়ে গিয়েছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্রগুলিকেও গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে তারা। তবে উপসাগরীয় দেশগুলিতে ইরান যেভাবে আমেরিকার ঘাঁটি, দূতাবাস, কনস্যুলেটে লাগাতার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, তাতে দেশের অন্দরেও ট্রাম্প সরকারকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে।

























